‘এশিয়া কাপ জিতেছি, এটা অবশ্যই আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। পাকিস্তান এবং ভারতের মতো দলকে যদি হারান আত্মবিশ্বাস আরেকটু বেড়ে যায়। সামনে এই আত্মবিশ্বাসটাই ধরে রাখার চেষ্টা করবো। সামনে যে এশিয়া কাপ, সিরিজ এবং বিশ্বকাপ আছে সেখানে আমরা ভালো করার চেষ্টা করব।’ বলছিলেন যু্ব অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম।
ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশের যুবারা এশিয়ার সেরার খেতাব পেয়েছে ৮ ডিসেম্বর। তবে দেশে ফিরতে অপেক্ষা করতে হয়েছে একদিনেরও বেশি সময়। ৯ ডিসেম্বর দেশে ফেরার কথা থাকলেও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হতে পেরিয়ে গেছে রাত বারোটা। টানা দ্বিতীয়বার এশিয়ার সেরা হয়ে দেশে ফেরা তরুণদের বরণ করে নিতে বিসিবির প্রচেষ্টার কমতি ছিল না।
এশিয়া কাপ জয়ের গল্প শুনতে গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়ও ছিল দেখার মতো। অবশেষে সোমবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো করে কাঁধে ট্রফি নিয়ে বের হোন অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। শুনিয়েছেন নিজেদের পরিশ্রম, সাফল্য আর ভবিষ্যতের আশার কথা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় শিরোপা জিতলেই ছাদখোলা বাসে উপযাপনের রীতি চালু হয়েছে দেশে। বাংলাদেশের মেয়ে ফুটবলাররা সাফ জিতে দেশে ফেরার পর দু’বার উদযাপন করেছেন ছাদখোলা বাসে।
ফুটবলে ছাদখোলা বাসে শিরোপা উদযাপন নিয়মিত ঘটনা হলেও ক্রিকেটে এমন কিছু দেখা যায় না খুব বেশি। যদিও কয়েক মাস আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরে এমন উদযাপন করেছিলেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। এশিয়া কাপ জিতে ফেরার পর তামিমেরও আশা এমন কিছুর। ইতোমধ্যে বিসিবিকে নিজেদের ইচ্ছের কথা জানিয়েও দিয়েছে তারা। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা স্যারদের বলেছি দেখি স্যাররা কি করেন। যদি হয় অবশ্যই চাই।’
এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে কয়েক মাসের ক্যাম্প করেছে বিসিবি। যেখানে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই শেষে চূড়ান্ত করা হয় স্কোয়াড। কয়েক মাসের অনুশীলন ক্যাম্পে তরুণ ক্রিকেটারদের প্রস্তুত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটাররাও নিজেদের সেরাটা দিতে কাজ করেছেন। তামিম মনে করেন, সবার কষ্টের ফল হিসেবেই জেতা গেছে এশিয়া কাপ।