শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

‘সরকারিভাবে সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা’

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৩ পড়া হয়েছে

সয়াবিন তেলের ভ্যাট ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয় ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সব দাবি মেনেছে সরকার তারপরও বাজারশূন্য। ডিলাররা এখনো তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করেনি। সরকারিভাবে মূল্য আরও বাড়ানোর জন্য এখনো বাজারে সংকট সৃষ্টি করে রেখেছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বাজারে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি ভোজ্যতেল নিয়ে কারসাজি করছে। সরকার চাইলে সব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কিন্তু তা না করে ব্যবসায়ীদের কথা মানলেও সেই সিন্ডিকেট চক্র এখনও বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ায়নি। সরকারিভাবে দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। যে কারণে তারা মিল থেকে ডিলারদের কাছে তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। সরকার তাদের কথা মানলেও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এখনো ক্রেতাকে নাজেহাল করে রেখেছে। তারপরও বাজারে তদারকি সংস্থার এই বিষয়ে জোরালো ভূমিকা দেখছি না। যা সন্দেহজনক।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেম্বরের শুরু থেকে বাজারে ভোজ্যতেলের অস্থিরতা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেশি বলে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি বেশি দামে তেল বিক্রি করতে মিল থেকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। ডিলারের কাছে সরবরাহ কমিয়ে বাজার থেকে উধাও করা হয় বোতলজাত সয়াবিন তেল। পাশাপাশি খোলা সয়াবিন বিক্রি করে আকাশ ছোঁয়া দামে। মূল্য স্বাভাবিক করতে ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী আমদানিতে দুই দফায় শুল্ককর কমানো হয়। প্রথম দফায় ১৭ অক্টোবর ও দ্বিতীয় দফায় ১৯ নভেম্বর শুল্ককর কমিয়ে তা নামানো হয়েছে শুধু ৫ শতাংশে। এতে বাজারে সামান্য কমে ভোজ্যতেলের দাম। তবে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে এসে বাজার থেকে উধাও হতে শুরু করে ১ ও ২ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল। তবুও দাম সহনীয় না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বর লিটারে ৮ টাকা বাড়ানো হয়। তবুও সরবরাহ সংকট কাটেনি। এরপর ১৬ ডিসেম্বর ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রাখতে নতুন বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আমদানিতে শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম আয়কর শতভাগ অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তারপরও বাজারশূন্য বোতলজাত সয়াবিন তেল।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা, জিনজিরা কাঁচাবাজারের ৮টি মুদি দোকান ঘুরেও এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল দেখা যায়নি। পাশাপাশি দুপুর ১টায় নয়াবাজারের ৬টি দোকান ঘুরে এই মাপের তেল নেই। পাঁচ লিটারের দু-একটি বোতল দেখা গেছে। এছাড়া দুপুর ২টায় কাওরান বাজারের দোকানগুলোতে চাহিদার তুলনায় তেল পাওয়া যায়নি। দু-একটি দোকানে বোতল সয়াবিন মিললেও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, সরকার লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। পাঁচ লিটারের তেল ৮৩৭ টাকা কিনে ৮৫২ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তিন লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৫১৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বিক্রি করতে হচ্ছে ৫২৫ টাকায়। খোলা সয়াবিন লিটারপ্রতি ১৮৮ টাকায় ডিলারদের কাছে কিনতে হয়। বিক্রি করতে হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। পাম অয়েল ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিনতে হচ্ছে ১৭১ টাকায়।

বিক্রেতারা আরও জানান, দুই লিটারের তেল মিললেও বিক্রি হচ্ছে ৩৫৫ টাকা। যা ৭ দিন আগেও ৩৪৫-৩৫০ টাকা ছিল।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024