শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

রপ্তানির নামে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৯ পড়া হয়েছে

রপ্তানির নামে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবাদুল করিমের বিরুদ্ধে।

২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট সরকারের অনুমতি ছাড়াই হংকংয়ে বিকন এশিয়া প্যাসিফিক নামে একটি কোম্পানি খোলেন তিনি। সে দেশের শেয়ার বাজারে, তালিকাভুক্তির সনদে কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও নাম আছে মোহাম্মদ এবাদুল করিমের, আর ঠিকানা হংকং এর নাথান রোডের বেল হাউসে উল্লেখ করা হয়।

ওই সময় বিকন এশিয়া প্যাসিফিকের নামে হংকংয়ের এইচএসবিসি ব্যাংকের একটি শাখায় অ্যাকাউন্ট খোলেন এবায়দুল করিম। ব্যাংক লেনদনের তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর এই ১১ মাসে ২৮৮ কোটিরও বেশি টাকা এইচএসবিসি ব্যাংকের ওই শাখায় গেছে বাংলাদেশ থেকে।

মূলত হংকংয়ের প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগের জন্য এই টাকা পাঠানো হয়। এ ছাড়া আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিকন গ্লোবাল অপারেশন -এফজেডসি নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। যার লেনদেন চলে দুবাইয়ের মাশরেক ব্যাংকে।

এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে মতিঝিল বিকন হাউজে গেলে দেখা করেননি কোম্পানির এমডি এবায়দুল করিম, চেয়ারম্যান নুরুন নাহার করিম এবং সিএফও জালাল উদ্দিন। ফোনও ধরেননি এবায়দুল করিম।

পরে ফোনে কথা হয় চেয়ারম্যান নুরুন নাহারের সঙ্গে। তিনি বলেন, অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল এটুকই জানি। আর জানি না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বিদেশে কোম্পানি খোলার ক্ষেত্রে গভর্নরের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাছাই কমিটির অনুমতি নিতে হয়। অন্যথায় সেটা অর্থ পাচার বলে গণ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা বলেন, অনুমোদনহীনভাবে কেউ যদি টাকা বিদেশে নিয়ে বিনিয়োগ করে অবশ্যই সেটা মানি লন্ডারিংয়ের মধ্যে পড়ে।

বিদেশে বেআইনিভাবে কোম্পানি খোলা, টাকা পাচার ও নানা অনিয়মএর মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের বঞ্চিত করায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবায়দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024