রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের সাত নম্বর ভবনে বুধবার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় চারপাশ ঢেকে যায়।
প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরবর্তীতে আরও দশটি ইউনিট যোগ দেয়। দীর্ঘ সময় ধরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।
এক প্রত্যক্ষদর্শী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রমে তেমন কোনো সমন্বয় বা তৎপরতা দেখা যায়নি। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবও লক্ষ করা গেছে।”
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, “রাষ্ট্রের ফুসফুস বলা হয় সচিবালয়কে। এখানে আগুন লাগার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো গভীর ষড়যন্ত্র কাজ করছে।”অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ বিরাজ করছে। সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এখন সবার দৃষ্টি প্রশাসন ও তদন্ত কমিটির দিকে—এই অগ্নিকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে।