শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ইসলামী ব্যাংককে বাদ দিয়ে অর্থনীতি এগিয়ে নেয়া যাবে না: গভর্নর

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৪১ পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের এক নম্বর ব্যাংক। এ ব্যাংককে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেয়া যাবে না। এ ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা রয়েছে। তাই অল্প সময়ের মধ্যেই ইসলামী ব্যাংক ঘুরে দাড়িঁয়েছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাংক আর পিছনে ফিরে তাকাবে না।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র ৪০০ তম শাখা হিসেবে ঘাটাইল শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আহসান এইচ মুনসুর বলেন, ব্যাংক কোনো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান নয় পারিবারিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটা সবার জন্য। আমানতকারী সবাই ব্যাংকের মালিক। দেউলিয়া হওয়ার পথে ১০ টি ব্যাংকের মধ্যে অনেক ব্যাংকই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় অর্থ পাচার কমে গেছে। ফলে ফর্থটা ডাইভার্ট না হয়ে দেশে রয়ে গেছে। যারা অর্থ নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন তাদের অর্থ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে ।

তিনি বলেন, আমাদের মুদ্রাস্ফীতি এখনো অনেক বেশি আছে। এটাকে কমিয়ে আনতে হবে। খাদ্যপণ্যের কারণেই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি আছে। খাদ্যপণ্যের দাম আমরা আশা করছি কমে আসবে। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যে একটা স্বস্তির জায়গায় পৌঁছে যাব।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলেন, দেশের জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ ইসলামী ব্যাংকের সাথে জড়িত। ৪০০তম শাখা উদ্বোধন এই ব্যাংকের একটি বড় অর্জন। ব্যাংক খাত নিয়ে যে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল তা দূর হতে শুরু করেছে। এ খাতে যে ধ্বস নেমেছিল সেখান থেকে ফিরিয়ে আনতে কাজ চলছে। গত পাঁচ মাস আগে ইসলামী ব্যাংকের যে অবস্থান ছিল তা থেকে অনেক ভাল অবস্থানে চলে এসেছে। ইতোমধ্যে এ ব্যাংক ৭ হাজার কোটি টাকার নতুন ডিপোজিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। রেমিট্যান্স আহরণেও ইসলামী ব্যাংক শীর্ষ স্থানে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠাকালে একটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক ছিলো। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা এ ব্যাংকে বিনিয়োগ করেছিলেন। আমরা চেষ্টা করছি বিদেশী বিনিয়োগকারীদেরকে পুণরায় এ ব্যাংকে ফিরিয়ে আনতে। ইসলামী ব্যাংক আবারো একটি আন্তর্জাতিক ব্যাংকে পরিণত হবে। এ ব্যাংক আরো দশগুন বড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ওবায়েদ উল্ল্যাহ আল মাসুদ বলেন, ৪০০ শাখা, ২৬৫ উপশাখা, ২৮০০ এজেন্ট আউটলেট ও ৩০০০ এর অধিক এটিএম বা সিআরএমের মাধ্যমে দেশজুড়ে ইসলামী ব্যাংকের বিস্তৃত নেটওয়ারকই প্রমাণ করে এ ব্যাংকের জনপ্রিয়তা। এ ব্যাংকের কর্মীরা অত্যন্ত সততা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। একই ছাদের নীচে এতো সৎ ও যোগ্য মানুষ কোথাও নেই।

তিনি আরো বলেন, দেশের ৩৪ হাজার গ্রামে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করছে ইসলামী ব্যাংক। আমরা এই সেবা দেশের ৬৮ হাজার গ্রামেই ছড়িয়ে দিতে চাই। ইসলামী ব্যাংকরে কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের জন্য উপস্থিত গ্রাহকদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

বাংলাদেশ ইসলামি ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং ডিরেরেক্টর মুহাম্মদ মনিরুল মওলা, প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জলিল, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর এম মাসুদ রহমানসহ আরও অনেকেই।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তারা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024