শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

মিরপুরে টাকার বিনিময়ে প্রাথমিকের বই বিতরণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৮৫ পড়া হয়েছে

সরকার বিনামূল্যে প্রাথমিক স্কুলে বই দিলেও রাজধানীর মিরপুরে টাকার বিনিময়ে বই বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার মিরপুর ১ নম্বরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম, ২য় ও ৩য় শ্রেণির বই বিতরণকালে স্কুলপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায় করা হয়।

সরেজমিন মিরপুর ১ নম্বর উপশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় মিরপুর থানা শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিকের বই বিতরণ চলছে। মিরপুরের এলাকার কিন্ডার গার্টেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এই কেন্দ্র থেকে ১ম থেকে ৩য় শ্রেণির বই সংগ্রহ করছেন। একটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় বই বিতরণের খরচ বাবদ স্কুলপ্রতি ৩০০ টাকা করে জমা নিচ্ছেন এক সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও)।

এক সহকারী শিক্ষক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন আজ দেশব্যাপী সরকারিভাবে প্রাইমারি স্কুলের বই বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকার বই বিনামূল্যে দিলেও এখানে থানা শিক্ষা অফিসের লোকজনকে ৩০০ টাকা দিয়ে চালান কাটতে হয়। আর চালান জমা না দিলে বই পাওয়া যায় না। এক শিক্ষক বলেন আমি ৩০০ টাকা জমা দিয়েছি। এই টাকার কোনো রিসিট নাই। এখন বইয়ের জন্য অপেক্ষা করছি।

মিরপুর কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি মান্নান বলেন, মিরপুর থানা শিক্ষা অফিসের অধীনে ছয়শ’র মতো প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। প্রত্যেক স্কুল থেকে ৩০০ টাকা করে আদায় করলে দেড় লাখ টাকার বেশি উঠে। সরকার বিনামূল্যে বই দেয়। সরকারি বই নিতে কেন টাকা দিতে হবে।

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (মিরপুর) আফরোজা বলেন, এখানে অনেক লোক কাজ করে। আমরা লেবার খরচের জন্য এই টাকা নিচ্ছি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024