শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

১ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা চেয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৫ পড়া হয়েছে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা চেয়েছে। এটি তাদের জন্য দ্বিতীয় দফার সহায়তা। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদেরকে ৪ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ব্যাংকটি ১০ শতাংশ সুদে এই তারল্য সহায়তা চেয়েছে। তবে এখনো এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু সহায়তার বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধের উদ্দেশ্যে তাদের এই সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, যে ৪ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল, তার কীভাবে ব্যবহার হয়েছে, তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানতে চেয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তারা একটি প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত করেছে এবং আগামী সপ্তাহের কোন এক সভায় এ ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।

ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বারস অভ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি মিন্টু বলেন, ব্যাংকটির পূর্ববর্তী পরিচালনা পর্ষদের দুর্নীতির কারণে বর্তমানে ব্যাংকটি সংকটে রয়েছে। তিনি আশাবাদী যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তার মাধ্যমে ব্যাংকটি আবার উত্তরোত্তর উন্নতির পথে ফিরে আসবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দায়িত্ব গ্রহণের পর ছয়টি ব্যাংককে জরুরি তারল্য সহায়তা প্রদান করেছে, এতে ন্যাশনাল ব্যাংকও রয়েছে। যদিও গভর্নর বলেছিলেন, কোনো ব্যাংকে টাকা ছাপিয়ে সহায়তা দেওয়া হবে না। তবে পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকে সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে হয়েছে।

২০০৯ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং সিকদার পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিবাদের কারণে ব্যাংকটির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসে। যদিও ওই পরিবর্তন ব্যাংকের চলমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছিল।

ব্যাংকটির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বলছে, নতুন করে আর্থিক সহায়তা পেলে ব্যাংকটি আগামী দিনে গ্রাহকদের আস্থা ফিরে পেতে সহায়ক ভূমিকা পাালন করবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024