শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৫ পড়া হয়েছে

বাংলাদেশকে সব ধরনের সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি জানিয়েছেন। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভানের সম্প্রতি ভারত সফরে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ রাখছে। শুক্রবার কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে এরিক গারসেটি বলেন, বাইডেন ও ট্রাম্প প্রশাসন উভয়ের কাছে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে নির্বাচন সম্পন্ন করা এবং সবাইকে সুরক্ষিত রাখায় যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত। দিলি­তে সুলিভানের আলোচনার অনেকটা জুড়েই ছিল বাংলাদেশের কথা।

তিনি বলেন, আমরা সবাই স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ, সহিষ্ণু বাংলাদেশই চাই। এ বিষয়ে ভারত, আমেরিকা উভয়েরই স্বার্থ জড়িয়ে। এর জন্য আমরা আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারি। যে কোনো রাজনৈতিক পালাবদলই কঠিন এবং তা সব সময় ভালো হবেই বলা যায় না বলে গারসেটি মন্তব্য করেন। এছাড়া ভারত ও আমেরিকার নানা ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতার বিস্তৃত পরিসর রয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বে উষ্ণায়নের মোকাবিলা, বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি যোগাযোগের প্রসার থেকে নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতায় ভারত আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাও সম্প্রতি পরমাণু শক্তির দায়িত্বপূর্ণ ব্যবহার নিয়ে দিলি­তে কথা বলেছেন।

গারসেটি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত কোনো গণতন্ত্রই নিশ্ছিদ্র নয়। বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের মতো গণতন্ত্রেরও পরিচর্যা করতে হয়। তবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পার্থক্য প্রসঙ্গে গারসেটি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলে থাকেন, আমেরিকার বিষয়ে উনি কথা বলবেন না, আমেরিকাও ভারতের বিষয়ে কিছু বলবে না। আমি কিন্তু বলব- উভয়ই উভয়ের বিষয়ে কথা বলুক। সব দেশেরই অভ্যন্তরীণ সমস্যা থাকে। সম্পর্ক অন্তরঙ্গ হলে খোলা মনে আরও কথা বলা যায়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024