রংপুর রাইডার্সের ইনিংসের শুরুটা ছিল প্রচণ্ড ধীরগতির। পাওয়ার প্লেতে এসেছে ২ উইকেট ৩৯ রান। শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে অনেকটা সময় লেগেছে তাদের। ১৪ ওভার শেষেও তাদের রান ছিল ৩ উইকেটে ১০৫। সেখান থেকেই শুরু দলটির দুই পাকিস্তানি ব্যাটার খুশদিল শাহ এবং ইফতিখার আহমেদের তাণ্ডব। তাতে শেষ ৬ ওভারে দলের সংগ্রহে যোগ হয়েছে ৮১ রান। আর ২০ ওভার শেষে রংপুরের পুঁজি ৫ উইকেটে ১৮৬।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রংপুর। তবে পাওয়ার প্লেতে তাদের শুরুটা হয় নড়বড়ে। ৩০ রান তুলতেই সাজঘরের পথ ধরেন স্টিভেন টেলর (১৩) ও সাইফ হাসান (৭)।
তৃতীয় উইকেটে ওপেনার তৌফিক খান তুষার এবং পাকিস্তানের ইফতিখার আহমেদ মিলে ৩০ বলে তোলেন ৪০ রান। তবে আবু হায়দার রনির বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ৩৬ রানে ফেরেন তৌফিক।
এরপরই শুরু হয় খুশদিল শাহর তাণ্ডব। খুলনার বোলারদের দুঃস্বপ্ন দেখিয়ে ৩৫ বলে ৪ চার এবং ৬ ছক্কায় ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। আর ৫ চারে ৪৩ রান করে হাসান মাহমুদের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ইফতিখার। চতুর্থ উইকেটে এই দুই ব্যাটার মিলে ৫৭ বলে গড়েন ১১৫ রানের জুটি।
তাদের জুটিতেই শেষ পর্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে টুর্নামেন্টে এখনো অপরাজিত থাকা রংপুর।
খুলনার পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট পেয়েছেন দুই পেসার আবু হায়দার রনি এবং হাসান মাহমুদ।