শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

চাল নিয়ে চালবাজি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৭ পড়া হয়েছে

এখন আমনের ভরা মৌসুম। চাল আমদানিও করা হচ্ছে। ফলে বাজারে চালের সরবরাহ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও মিলারদের চালবাজিতে মিল পর্যায়ে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা। এতে পাইকারি আড়তেও চালের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। ভরা মৌসুমেও চাল কিনতে বিড়ম্বনার শিকার হওয়ায় ভোক্তাদের হতাশা বেড়েছে। সাময়িক মজুতদারির কারণে চালের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, চালের পর্যাপ্ত মজুত আছে। তদারকির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। এক বছর আগের একই ঘটনা আমরা ভুলিনি। তখন আমনের বাম্পার ফলনের পাশাপাশি সরকারি গুদামে চালের মজুত ছিল পর্যাপ্ত; বাজারে এর সরবরাহও ছিল পর্যাপ্ত। তারপরও ভরা মৌসুমে তখন চালের বাজার ছিল অস্থির।
চালের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির নেপথ্যে যে সিন্ডিকেট সক্রিয়, এটি বহুল আলোচিত। অতীতেও আমরা লক্ষ্য করেছি, পণ্যের দাম কমাতে আমদানি শুল্ক কমানোসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ধানের ভরা মৌসুমেও একটি চক্র নানা কৌশলে চালের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে। এতে বোঝা যায় এ চক্রের শেকড় কত গভীরে। যেহেতু এ চক্র চালের বাজারে বারবার অস্থিরতা তৈরি করে, সেহেতু চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা দরকার।
বাজারে একাধিক সংস্থা তদারকির কাজে নিয়োজিত। প্রশ্ন হলো, ভোক্তারা এ থেকে সুফল পাচ্ছে না কেন? ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, পণ্যের দাম বাড়লেই কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করেন; কিন্তু যে স্তরে কারসাজি হয়েছে, সে স্তরে মনিটরিং হয় না। আমরা মনে করি, যে যে ক্ষেত্রে কারসাজি হচ্ছে, সব ক্ষেত্রে জোরালো মনিটরিং অব্যাহত রাখা দরকার। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে এখন মধ্যবিত্তও হিমশিম খাচ্ছে। সীমিত ও প্রান্তিক আয়ের মানুষ এর ফলে কতটা অসহায় হয়ে পড়েছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিভিন্ন পণ্যে ভ্যাট বাড়ানোর পাশাপাশি তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন শুল্ক-কর আরোপের ফলে সব শ্রেণির মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে। কয়েক মাস পর শুরু হবে রোজা। এখন থেকেই বাজার ব্যবস্থাপনার ত্রুটি দূর করতে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভোক্তাদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024