শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

সিন্ডিকেট রুখতে অভিযান চলুক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৮ পড়া হয়েছে

ভাত সবার লাগে। এটা এমন এক খাদ্য যে লাগবেই। একটা সময় দেখতাম কাককে ভাত খেতে এখানে-সেখানে। কিন্তু এখন আর দেখা যায় না। কারণ চালের দাম এত হয়েছে যে, মানুষ আর এত টাকা দিয়ে চাল কিনে ভাত ফেলতে পারে না। যে কারণে বাসি পচা কিংবা পানতা ভাত নেই; সব খেয়ে থাকে। যেন আরেক বেলা যায় এই আশাতে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে, কেউ চালের বিষয় নিয়ে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। যারা নিচ্ছে তারা আবার সরেজমিন আসছে না। আর সরেজমিন না এসে দূর থেকে বসে বললে কমবে তো নয়ই বরং আরও বাড়বে। তাই সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হলে বা ধরতে হলে সরেজমিন নেমে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বিষয়ে আইন করা যেতে পারে। ১০ টাকায় চাল বিক্রি হতে দেখেছি শৈশবে। এখন প্রশ্ন জাগে ১০ টাকা কেজির চাল কি করে ৮০-৯০ টাকা হলো। এত ব্যবধান হয় কি করে। এ যেন ‘হাতে মারব না, ভাতে মারব’। সত্যি এখন সাধারণ মানুষকে ভাতে মারার ব্যবস্থা হয়েছে। সিন্ডিকেট করে, দাম বাড়িয়ে, চালে পাথর মিশিয়ে। অর্থাৎ যত ধরনের সমস্যা আছে সব সমস্যা যেন চাল আর গরিবের জন্য তৈরি করা। এ সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা খুব কঠিন হয়ে গেছে। কেননা আমাদের দেশে একবার যেটা চালু হয়ে যায় সেটা আর খুব সহজে বন্ধ করা যায় না। আর যায় না বলেই, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, সড়ক সন্ত্রাসসহ ইত্যাদি সমস্যা কোনো কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। কিংবা এক শ্রেণির মানুষ হাজার চেষ্টা করেও পারছে না। আর যে অবস্থা দেখা যায় তাতে মনে হয়, এভাবে চুপ করে বসে থাকলে, কিংবা দূর থেকে বললেই সিন্ডিকেট বা দাম কমে যাবে। তা কিন্তু নয়। বরং মনে করি, মাঠে নামতে হবে, আইন করতে হবে, আইন প্রয়োগ করতে হবে, নানা অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী দ্বারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অর্থাৎ যাদের দ্বারা চালের দামসহ নানান সমস্যার সমাধান হবে কিংবা কুচক্রী মহলসহ সিন্ডিকেটে যুক্ত ব্যক্তিরা যাদের মানবে, এমন কোনো বাহিনী দিয়ে পরিচালনা করতে হবে। না হলে এ দাম বৃদ্ধি দিন কে দিন বাড়বেই।

নারায়ণগঞ্জ থেকে

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024