শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

রোজা ঘিরে চাহিদার বেশি পণ্য আমদানি, কমছে না দাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯০ পড়া হয়েছে

রমজানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে চাহিদার চেয়ে বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়েছে। এখনো পণ্য আসছে। তারপরও কমছে না পণ্যের দাম। উলটো কিছু কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। অভিযোগ আছে, বাজারে দাম বাড়ানোর কৌশল হিসাবে আমদানিকারকরা বন্দরে পণ্য খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদামে রেখেছেন। তাই পণ্য আমদানি বেশি হলেও রমজানে দাম বাড়ার শঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

রমজানে ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু, ডাল, ছোলা, খেজুরসহ বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। রমজান ঘিরে দেশের মানুষ ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ে শঙ্কিত থাকে। তবে এবার বাজারে কোনো পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানা গেছে। আমদানিকারকরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এখনো পণ্য আমদানি করা হচ্ছে। রাত-দিনজুড়ে চলছে পণ্য খালাসের কাজ। পণ্যবাহী শতাধিক জাহাজ খালাসের অপেক্ষায় এখনো বন্দরে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আরও নিত্যপণ্য আমদানি হবে। ফলে সরবরাহ বাড়বে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে পণ্য আমদানি হয়েছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ টন; যা আগের অর্থবছরে ছিল ৬ কোটি ৫৮ লাখ টন।

জানুয়ারিতে পাম ও সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টন। চিনি আমদানি হয় ১ লাখ ৪ হাজার টন। পেঁয়াজ আমদানি হয় ৮২ হাজার টন। ডাল আমদানি হয় ১ লাখ ৯৫ হাজার টন। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছোলা আমদানি হয়েছে ২৮ হাজার ৩৩৪ টন, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ হাজার ৬৭৬ টন। খেজুর আমদানি হয়েছে ৪ হাজার ৯৭৮ টন। এভাবে রমজানের প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি হওয়ায় বাজারে সংকট থাকবে না বলে আমদানিকারকরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, আমদানি করা কয়েক হাজার টন পণ্য নিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সাগরে ভাসছে দুইশর বেশি লাইটার জাহাজ। তবে দাম বাড়ানোর কৌশল হিসাবে আমদানিকারকরা খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদাম বানিয়ে পণ্যগুলো রেখেছেন। সময়মতো পণ্য খালাস না করায় চট্টগ্রামে লাইটার জাহাজের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।

খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক কামরুল ইসলাম বলেন, রমজান মাসে বিভিন্ন পণ্যের অতিরিক্ত চাহিদা থাকে। এবার এসব পণ্যের চাহিদার বেশি আমদানি করা হয়েছে। চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত আরও আমদানি করা হবে। রজমানে কোনো পণ্যের সংকট হবে না।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024