শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

আমাকে নিয়ে পাগলামি করে এমন অনেকেই আছে: পিয়া জান্নাতুল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৩ পড়া হয়েছে

আলোচিত মডেল, অভিনেত্রী ও ব্যারিস্টার পিয়া জান্নাতুল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রেম ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, “আমি কখনও প্রেমে পড়িনি, মানুষই প্রেমে পড়ে। তাই আমি কখনো পাগলামি করিনি, তবে আমার জন্য অনেকেই পাগলামি করেছে এবং এখনো করে।”

সাক্ষাৎকারে পিয়া জানান, “এক সময় এমনও হয়েছে যে, আমি রক্ত দিয়ে লেখা প্রেমপত্র পেয়েছি। এখন এসব কথা বেশি বলতে চাই না। আমি এখন একজন মা, আমার একটা সন্তান আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি প্রায় ১১ বছর ধরে বিবাহিত। তারপরও এখনো প্রেমের প্রস্তাব পাই।”

ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়ে পিয়া জানান, “আমার জীবনে ২৩ জনকে দেখে খুব ভালো লেগেছে। এর মধ্যে দুজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং একজন সিনেমা জগতের মানুষ।”

বিনোদন জগতের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, “আমি ছোটবেলা থেকেই শাহরুখ খানের ভক্ত। তবে যদি আলাদাভাবে বলি, আমার সবচেয়ে বেশি দেখা সিনেমা হলো ‘প্রিটি ওম্যান’।”

তিনি বলেন, “সেই সিনেমার নায়কের চরিত্রটি দেখার পর থেকে ওই রকম ব্যক্তিত্বের মানুষকে আমার ভালো লাগতে শুরু করে।”

পিয়া জান্নাতুল মনে করেন, পাগলামি কোনো বয়স মানে না। বয়সে ছোট হোক বা বড়, এমন অনেকেই আছেন যারা আমাকে নিয়ে পাগলামি করেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024