রাজধানীর উত্তরার বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) ভবনে মধ্যরাতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তুরাগের দিয়াবাড়ির ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের এক নম্বর ভবনে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির উত্তরা জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সাদ্দাম হোসেন ও বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের উপপরিচালক কাজী মোহাম্মদ মোরসালীন আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানান।
বিআরটিএর নৈশ প্রহরী আনসার সদস্য রমেশ চন্দ্র জানান, কয়েকজন দুষ্কৃতকারী গভীর রাতে বিআরটিএ ভবনকে লক্ষ্য করে তিনটি পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে ভবনে আগুন ধরে যায়। আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় আগুন নেভানো হয়। এতে বিআরটিএ ভবনের বেশ কিছু বৈদ্যুতিক তার পুড়ে গেছে।
এ ঘটনায় বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের সহকারী পরিচালক বশির উদ্দিন আহাম্মেদ তুরাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, বিআরটিএ অফিসে অজ্ঞাতনামা লোকজন কাচের বোতলে পেট্রল ভরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এত ভবনের প্রধান ফটকে আগুন লাগে। এতে ৪০ / ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। দায়িত্বরত আনসার সদস্য এবং ইউসিবি ব্যাংকের গার্ড মিলে আগুন নেভায়।
পেট্রল বোমা হামলার বিষয়ে বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের উপপরিচালক কাজী মোহাম্মদ মোরসালীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের বিআরটিএ অফিসে গতকাল (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত দুই থেকে আড়াইটার দিকে পেট্রল বোমা হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ আহত হোননি। নিচতলার বিদ্যুৎ ও জেনারেটরের লাইনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওপরের দিকে আগুন লাগেনি।’
উপপরিচালক কাজী মোরসালীন বলেন, ‘একটি মোটরসাইকেলে তিনজন এসেছিল। তাদের মধ্যে একজন মোটরসাইকেলে বসা ছিল, বাকি দুই জন নেমে পেট্রল বোমা মেরে পালিয়ে যায়।’
উত্তরা জোনের এসি সাদ্দাম হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পেট্রল বোমা হামলার ঘটনায় আমরা কাজ করছি। এখানে আমি ও ডিসি স্যারও রয়েছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে এসি সাদ্দাম বলেন, আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তল্লাশি করছি। কিছু ট্রেস পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।