শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

আমার ছেলে দেশের জন্য অনেক কষ্ট করে: পিনাকী ভট্টাচার্যের মা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৭৮ পড়া হয়েছে

দেশপ্রেম, ত্যাগ আর রাজনৈতিক ঝুঁকি-সব মিলিয়ে প্রবাস থেকে দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পিনাকী ভট্টাচার্য। এই যাত্রায় একজন মা হিসেবে কী অনুভব করেন তিনি?গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পিনাকীর মা তুলে ধরলেন তার গভীর অনুভূতির কথা। বললেন, “আমার ছেলে দেশের জন্য অনেক কষ্ট করে।”

প্রাণপনে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন পিনাকী ভট্টাচার্য। গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর মা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার ছেলে দেশের জন্য অনেক কষ্ট করে।”

অনেকেই পিনাকির ভিডিও দেখে এবং পিনাকিকে তারা চায়,মূলত এই বিষয়টা মা হিসেবে কেমন লাগে? পিনাকি ভট্টাচার্য এর মা বলেন, “ভালো তো অবশ্যই লাগে। ছেলের কৃতিত্বে তো মার অহংকার হওয়া উচিত, আমারও অহংকার হয় যে, আমার ছেলে দেশের জন্য কত কাজ করে। কিন্তু ভয়টা থাকে মনের মধ্যে বাংলাদেশের পরিস্থিতির কারণে।”

পিনাকি দেশে ভালো একটি পেশায় ছিলেন। এই পেশা ছেড়ে প্রবাসে কেন চলে গেলেন? পিনাকী ভট্টাচার্যের মা বলেন, “এটা তো সবাই জানে দেশের বিদেশের মানুষ কেন সে চলে গেল। আওয়ামী লীগের ক্রোধ তার উপরে। যেভাবে তাকে মেরে ফেলার হুমকি, বাগুম করার হুমকি। তাছাড়া সে এত ভালো একটা কোম্পানি ছেড়ে দিয়ে সে তো চলে যেত না। আর সে যে দেশকে ভালোবাসতো, তো তার চলে যাওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু যেতে বাধ্য হল প্রাণের ভয়েই একরকম বলা লাগে।”

দেশের জন্য লড়াই করছেন তিনি বাইরের দেশ থেকে,মূলত এই বিষয়টা আপনার কাছে কেমন লাগে?“খুব ভালো লাগে। আমি তো দেখলাম আগস্টের পাচ তারিখে আমি তো ওখানে ছিলাম ওর কাছে। দেখলাম যে, ও মানে প্রাণপণে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমার তো ভালো লাগারই কথা। ছেলে আমার কাজ করে যাচ্ছে, করতে করতে যতদূর যেতে পারে, সে একটা জায়গায় যদি বাংলাদেশকে নিয়ে যেতে পারে,এর থেকে বড় কিছু আছে?”

মা ছেলের এতটা দূরত্ব,মূলত এই বিষয়টা কেমন লাগে মা হিসেবে?“দূরত্ব মানে মনের দূরত্ব তো নাই। এমনি এক দেশ থেকে আরেক দেশের দূরত্ব। মনের দূরত্ব তো আমাদের নাই। ছেলেপেলেরা তো চাকরি সূত্রে হোক, আর যে সূত্রে হোক, বাইরে চলেই যায়। দূরত্ব তো হয়েই যায় মায়েদের সাথে। এটা মনের দূরত্ব হয় না। দেহের দূরত্ব হয়, চোখের দূরত্ব হয় হয়তো। আমার তো প্রায় দিনে কথা হচ্ছে ওর সাথে। হয়তো মেসেজে হচ্ছে। আর শনিবারের পরে রবিবার করে তো এমনি ভিডিও কলে কথা হয়। ছয় বছর পরে গেলাম, দেখলাম ছেলেকে, খুব ভালো আছে। অনেক ভালো আছে ওখানে।”

“অসম্ভব মেধাবী ছেলে আমার। খুবই মেধাবী। এখনকার দিনের বাচ্চাদের কত কোচিং, কত কিছু লাগে। ওর কোন রকম কোচিং ছাড়া ও মেডিকেলে চান্স পেল। পড়াশোনাই করেনি, চান্স পেল।”,বলেন পিনাকী ভট্টাচার্যের মা।

সূত্র:https://www.youtube.com/watch?v=qSJjT6bsuss

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024