শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

“গোপনে ১০ বিলিয়ন ডলারের লেনদেন: ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক কোন পথে?”

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫
  • ১৫৮ পড়া হয়েছে

গোপনে ১০ বিলিয়ন ডলারের লেনদেনের প্রভাবে ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক কোন পথে যাচ্ছে।

গত সপ্তাহে ভারত শাসিত কাশ্মীরের মনোরম পর্যটন কেন্দ্র পহেলগাঁয়ে বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তান একে অপরের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ করা এবং ভিসা স্থগিত করা। যার প্রভাব পড়ছে দুদেশের বাণিজ্যে।

তবে হিসেব বলছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য সরকারি পরিসংখ্যানের তুলনায় অনেক বেশি। যার পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলার। সাম্প্রতিক টানাপোড়েন কি এই গোপন বাণিজ্যকে টিকতে দেবে?

নয়াদিল্লি ২২ এপ্রিলের হামলায় ইসলামাবাদকে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছে, পাকিস্তানের পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সিন্ধু নদীর পানি বণ্টন চুক্তিতে ভারতের অংশগ্রহণ স্থগিত করেছে এবং কূটনৈতিক মিশন কমিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে ইসলামাবাদ ভারতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এবং প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের পাশাপাশি তৃতীয় দেশগুলির মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সব বাণিজ্য স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারত-পাকিস্তান বাণিজ্য সম্পর্ক ২০১৯ সাল থেকে স্থগিত রয়েছে।

উভয় দেশই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রধান স্থল সীমান্ত ওয়াঘা-আটারি ক্রসিংও বন্ধ করে দিয়েছে।

কিন্তু সরকারি পরিসংখ্যানে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে ন্যূনতম বাণিজ্য দেখানো হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, কোটি কোটি ডলারের গোপন বাণিজ্য অব্যাহত রয়েছে দুদেশের মধ্যে।

তাহলে এই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে বাণিজ্যের প্রকৃত মাত্রা কী? এবং বাণিজ্য স্থগিতকরণ এবং স্থল সীমান্ত বন্ধ করার ফলে কি সত্যিই দুদেশের মধ্যে এখনও চলমান বাণিজ্যের উপর প্রভাব পড়বে?

ভারত ও পাকিস্তান কি অতীতে অবাধে বাণিজ্য করত?

হ্যাঁ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারত থেকে বেরিয়ে এসে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য শুরু হয়েছিল।

১৯৯৬ সালে নয়াদিল্লি ইসলামাবাদকে ‘মোস্ট ফেওয়ার্ড নেশন’ মর্যাদা প্রদান করলে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় – এটি একটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম যা নিশ্চিত করে- একটি দেশ শুল্ক এবং বাণিজ্য ছাড়ের ক্ষেত্রে তার সব বাণিজ্য অংশীদারদের সমানভাবে আচরণ করে।

কিন্তু পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীদের মধ্যে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনার মধ্যে, বাণিজ্য কখনই পুরোপুরিভাবে বৃদ্ধি পায়নি। অন্তত আনুষ্ঠানিকভাবে।

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মোট বাণিজ্য ছিল ২.৪১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬-২০১৭ সালে ছিল ২.২৭ বিলিয়ন ডলার। ভারত পাকিস্তানে ১.৯২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং ৪৮৮.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করেছে।

কিন্তু ২০১৯ সালে ভারত শাসিত কাশ্মীরে পুলওয়ামায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৪০ জন ভারতীয় আধাসামরিক সদস্য নিহত হওয়ার পর ভারত পাকিস্তানের এমএফএন মর্যাদা বাতিল করে।

২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২.৪১ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ১.২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ভারতে পাকিস্তানের রপ্তানি ২০১৯ সালে ৫৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২০২৪ সালে মাত্র ৪৮০,০০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ভারত ও পাকিস্তান এখন আনুষ্ঠানিকভাবে কত এবং কী কী বাণিজ্য করে?

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানে দেশটির রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৪৭.৭ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে ভারতে পাকিস্তানের রপ্তানি ছিল মাত্র ৪২০,০০০ ডলার।

ভারতের রপ্তানির মধ্যে রয়েছে ওষুধ, পেট্রোলিয়াম, প্লাস্টিক, রাবার, জৈব রাসায়নিক, রঞ্জক, শাকসবজি, মশলা, কফি, চা, দুগ্ধজাত পণ্য এবং শস্য।

পাকিস্তানের প্রধান রপ্তানির মধ্যে রয়েছে তামা, কাচের জিনিসপত্র, জৈব রাসায়নিক, সালফার, ফল এবং বাদাম এবং কিছু তেলবীজ।

ভারতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইনজীবী শান্তনু সিং বলেন, বর্তমান বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানের ওষুধ খাতে তাৎক্ষণিক প্রভাব দেখা যাবে: ভারত থেকে ইসলামাবাদের প্রধান আমদানি হল ওষুধজাত পণ্য।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুদেশের মধ্যে একমাত্র স্থলবন্দর ওয়াঘা-আত্তারি ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বাণিজ্যের খরচ বৃদ্ধি পাবে।

শান্তনু সিং বলেন, ‘সাধারণত, স্থলবন্দরগুলি কম খরচ এবং পরিবহনের সুবিধা প্রদান করে, এবং এই স্থলবন্দর বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যেকোনো ধরণের বাণিজ্যের খরচ বৃদ্ধি দেখতে পাবেন। এটি আফগানিস্তান থেকে বাণিজ্যকেও বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে কারণ আফগানিস্তান থেকে আমদানি এই স্থলপথ ব্যবহার করে। আইসিপিকে ঘিরে গড়ে ওঠা স্থানীয় অর্থনীতিও প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রকৃত বাণিজ্য কি বেশি?

সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে পাকিস্তানে ভারতীয় রপ্তানি ৪৪৭.৬৫ মিলিয়ন ডলারের অনুমান করা হলেও প্রকৃত বাণিজ্যের পরিমাণ অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ব্যবসায়ীরা বিধিনিষেধ এড়িয়ে, যাচাই-বাছাই এড়াতে এবং রিলেবেলিংয়ে উচ্চ মূল্য অর্জনের জন্য তৃতীয় দেশগুলির মাধ্যমে পণ্য পরিবহন করে।

ভারত-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই) অনুসারে, পাকিস্তানে অনানুষ্ঠানিক ভারতীয় রপ্তানি প্রকৃতপক্ষে বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার বলে মনে করা হয়।

এই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য কীভাবে কাজ করে?

GTRI জানিয়েছে যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, শ্রীলংকার কলম্বো এবং সিঙ্গাপুরের বন্দরগুলির মাধ্যমে বিকল্প রুট খুঁজে বের করে এই আমদানি রপ্তানি করে দুদেশ।

লিঙ্কডইন পোস্টে সিস্টেমটি কীভাবে কাজ করে তা ব্যাখ্যা করে GTRI প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব বলেছেন, ‘ভারতীয় পণ্য দুবাই, সিঙ্গাপুর এবং কলম্বোতে পাঠানো হয়। পণ্যগুলি ট্রানজিট হাবের বন্ডেড গুদামে সংরক্ষণ করা হয়। স্টোরেজের সময় – এখানে শুল্কমুক্ত – নথি এবং লেবেল পরিবর্তন করা হয়। পণ্যগুলি একটি নতুন ‘উত্স দেশ’ – যেমন ভারতের পরিবর্তে সংযুক্ত আরব আমিরাত – এর অধীনে পাকিস্তানে পুনঃরপ্তানি করা হয়।’

শ্রীবাস্তব আরও যোগ করেছেন যে এই ধরনের বাণিজ্য সর্বদা অবৈধ নয়, ‘এই ধূসর-জোন কৌশলটি তুলে ধরে যে কীভাবে বাণিজ্য নীতির চেয়ে দ্রুত অভিযোজিত হয়।’

তিনি আরও যোগ করেছেন যে আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে, ‘পুনঃরপ্তানি মার্কআপের পরেও আরও ভাল দাম পাওয়া যায় এবং এটি সম্ভাব্য অস্বীকারযোগ্যতা বজায় রাখে – এই প্রক্রিয়ার মাধ্যম কোনও ‘অফিসিয়াল’ বাণিজ্য না হলেও দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য অব্যাহত থাকে।’

এই ধরণের বাণিজ্য কি অন্য কোথাও ঘটে?

হ্যাঁ। বৈদেশিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পণ্যগুলিকে অন্য জাহাজে স্থানান্তরিত করার মাধ্যমে সেই সুবিধাগুলিতে নিয়ে যাওয়া একটি সাধারণ অভ্যাস।

উদাহরণস্বরূপ, ভারত রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে এই ধরণের অনুশীলনের জন্য একটি স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে, ম্যাসাচুসেটস আমহার্স্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক জয়তি ঘোষ বলেন। নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তারা রাশিয়া থেকে জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলিতে জ্বালানি স্থানান্তর করে।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে কি অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য অব্যাহত থাকবে?

কাশ্মীর হামলার পর থেকে, ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা পাকিস্তানে পরোক্ষ রপ্তানির তথ্য সংগ্রহ করছেন এবং এই অনুশীলন বন্ধ করার জন্য তদবির করছেন বলে জানা গেছে। ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সর্বশেষ বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞায় তৃতীয় দেশগুলির মাধ্যমে বাণিজ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার অর্থ পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষও এই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য সম্পর্কে ভালভাবে অবগত।

তবে, সিং-এর মতে এটি প্রতিরোধ করা কঠিন হতে পারে। কারণ তৃতীয় দেশে পণ্যের পুনঃরুটিং এবং পুনঃলেবেলিং ব্যক্তিগত সংস্থাগুলি দ্বারা পরিচালিত হয়। যার মধ্যে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক এবং ব্যবসায়ীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকে। যা সরকারী চ্যানেলের মাধ্যমে নয়।

সিং বলেন, ‘পাকিস্তানের কাস্টমস এজেন্সিগুলির উপর নির্ভর করে যে তারা নির্ধারণ করবে যে পাকিস্তানে উৎপত্তির প্রাসঙ্গিক অ-অগ্রাধিকারমূলক নিয়ম, যদি থাকে, পূরণ করা হয় কিনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি সাধারণত কিছু প্রমাণ সাপেক্ষে করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পণ্যের আমদানিকারককে পাকিস্তানের আইনে থাকা প্রয়োজনীয় সর্ত পূরণ করতে হয়। পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষের একটি প্রশ্ন যে পণ্যটি আসলে তৃতীয় দেশে উৎপন্ন হচ্ছে নাকি এটি আসলে একটি ফাঁকি দেওয়া পণ্য যা ভারত থেকে আসছে।’

সিং বলেন, এখন চ্যালেঞ্জ হলো পাকিস্তানের কাস্টমস কর্তৃপক্ষের জন্য কীভাবে তৃতীয় দেশগুলির মাধ্যমে এই প্রতারণা মোকাবেলা করা যায় তা নির্ধারণ করা।

‘এর জন্য তাদের কিছুটা হলেও পাকিস্তানে আসা পণ্যগুলির উপর নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে।’

এই বাণিজ্য রোধ করা কঠিন হবে কারণ এটি দুদেশের চাহিদা পূরণ করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বাণিজ্য অবশ্যই ঘটবে কারণ ভারত ও পাকিস্তান সাধারণ সংস্কৃতির অধিকারী। পাকিস্তানে ভারতীয় পণ্যের বিশাল চাহিদা রয়েছে। আর এই চাহিদা কোথাও থেকে পূরণ করতে হবে।’

ব্যবসায়ীরা এমন ব্যবসা ত্যাগ করতে চাইবেন না যা সরকারি বাণিজ্যের চেয়ে বেশি লাভজনক জানিয়ে সিং বলেন, ‘এই কৌশল (তৃতীয় দেশগুলির মাধ্যমে বাণিজ্য নিষিদ্ধকরণ) কাজ করে যখন আমরা বিশ্বাস করি যে ব্যবসায়ীরা সততার সঙ্গে কাজ করবে এবং ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে ভারত সরকার যে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে তা বুঝতে পারবে।’

তবে, যদি ব্যবসায়ীরা তা করতে না চায়, যদি তারা অসাধু হতে চায়, তাহলে কিছুই থামানো যাবে না— বলেন সিং।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024