শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

সাংবাদিকদের বেতন কমপক্ষে ৩০ হাজার হওয়া উচিত: প্রেস সচিব

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
  • ৮৪ পড়া হয়েছে

সাংবাদিকদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার নিচে হওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘যদি এই বেতন দিতে না পারেন, তাহলে পত্রিকা বন্ধ করে দিন।’

সোমবার (১২ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলাপ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্র মালিকদের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোর। কিন্তু বাস্তবে তারা গত ১৫ বছর ধরে পূর্বাচলে প্লট পাওয়ার দৌড়ে ব্যস্ত ছিল। সাংবাদিকদের স্বার্থে তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখেনি, বরং ভয়াবহভাবে ঠকিয়েছে।’

ডিএফপির (তথ্য অধিদপ্তর) বিরুদ্ধে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক অনিয়ম চলছে। কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা অন্যদের সংবাদ কপি করে ছাপায়, যা কখনো ভালো সাংবাদিকতা হতে পারে না।’

সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত বেতন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ হাজার টাকার নিচে বেতন হলে একজন সাংবাদিক টিকে থাকতে পারেন না। এটা শুধু আর্থিক ব্যাপার নয়, পেশার মর্যাদার সঙ্গেও সম্পর্কিত।’

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে— ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি। তারা ক্ষমতায় থাকতে যাকে খুশি তাকে জঙ্গি বলে দমন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ হওয়াকে দেশের মানুষ ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছে। যদিও কেউ কেউ দ্বিমত পোষণ করতে পারে, তবে সেটি বড় কোনো ইস্যু নয়।’

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেলসহ সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024