শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

শরিয়াহর ছায়ায়ই ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সাফল্যের প্রকৃত মানদণ্ড

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫
  • ২৮০ পড়া হয়েছে

শরিয়াহর ছায়ায়ই ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সাফল্যের প্রকৃত মানদণ্ড

১৯৯৯ সালের ৩ জুন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির কার্যক্রম শুরু হয়। সে হিসাবে ব্যাংকটি আজ ২৬ বছর অতিক্রম করছে। ব্যাংকটির জন্য দীর্ঘ এ যাত্রা ছিল সাফল্যের।

মো. হাবিবুর রহমান। দায়িত্ব পালন করছেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে। দীর্ঘ ৩৭ বছরের ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে তিনি কাজ করেছেন অন্তত আটটি ব্যাংকে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পথচলা, সমস্যা, সম্ভাবনাসহ দেশের ব্যাংক খাতের নানা দিক নিয়ে সম্প্রতি এ ব্যাংকার কথা বলেছেন bftnews24 এর সঙ্গে

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি আজ ২৬ বছর পূর্ণ করল। দীর্ঘ এ পথচলায় ব্যাংকটির সামগ্রিক অর্জন ও বর্তমান অবস্থা কী?

১৯৯৯ সালের ৩ জুন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির কার্যক্রম শুরু হয়। সে হিসাবে ব্যাংকটি আজ ২৬ বছর অতিক্রম করছে। ব্যাংকটির জন্য দীর্ঘ এ যাত্রা ছিল সাফল্যের। এ যাত্রায় প্রচলিত ব্যাংকিং থেকে ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে আমরা একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছি। এজন্য আমাদের সম্মানিত শেয়ারহোল্ডার, গ্রাহক, নিয়ন্ত্রণ সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

একটি সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ১৩৮টি শাখাবিশিষ্ট ব্যাংকটি জানুয়ারি ২০২১-এ প্রচলিত ব্যাংকিং থেকে শরিয়াহভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তর হয়। ব্যাংকের ইতিহাসে এ রূপান্তর একটি মাইলফলক হিসেবে আবির্ভূত হয়। এ উদ্যোগ আমাদের পরিচিতি, গ্রহণযোগ্যতা ও কর্মদক্ষতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২০২৫ সালের মার্চ নাগাদ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা রূপান্তর পূর্ববর্তী অবস্থার তুলনায় ৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। একইভাবে বিনিয়োগেও প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে, যার বর্তমান পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকায়।

একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল ব্যাংক হিসেবে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। শিল্প ও কৃষি খাতে সহজ শর্তে বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) অর্থায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা বিকাশে সহায়তা করছে। ডিজিটাল ব্যাংকিং, এজেন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক হিসেবে হজ সঞ্চয় ও সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য সহজ ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করছে। পাশাপাশি ওয়াক্ফ ও মোহর হিসাব পরিচালনার মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ সহায়তায় করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। প্রতিকূল অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটেও আমাদের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ সাফল্যের জন্য আমরা মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের পর কী চ্যালেঞ্জ এসেছে এবং কীভাবে সেটি মোকাবেলা করছেন?

প্রচলিত ব্যাংকিং থেকে শরিয়াহভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। প্রথম দিকে আমাদের মুখ্য চ্যালেঞ্জ ছিল গ্রাহকদের মধ্যে ইসলামী শরিয়াহ পরিপালনের সুফল ও গুরুত্ব তুলে ধরা এবং তাদের আস্থা অর্জন করা। একই সঙ্গে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ব্যাপক প্রশিক্ষণ, আইটি অবকাঠামোর পুনর্গঠন ও শরিয়াহ নীতিমালার আলোকে অভ্যন্তরীণ নীতি, কাঠামোগত সংস্কার ও প্রডাক্ট ম্যাপিং অত্যন্ত জরুরি ছিল। আমরা পরিকল্পিতভাবে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিটি ধাপ অগ্রসর হয়েছি। চাহিদাভিত্তিক ব্যাপক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মী বাহিনীর দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও ব্যাংকের পুরো আইটি সিস্টেমকে পুনর্গঠন করে শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং সেবা প্রদানের উপযোগী করা হয়েছে।

এ যাত্রায় আমাদের প্রধান সহায়ক শক্তি ছিল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের আগ্রহ ও সর্বাঙ্গীণ সহযোগিতা, শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধান। সর্বোপরি গ্রাহকদের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সফল নেতৃত্ব ও সবার নিরলস প্রচেষ্টার কারণে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবেলা করা সহজ হয়েছে। আজ এ রূপান্তর ব্যাংকের টেকসই প্রতিযোগিতামূলক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের পর ‘স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক’ এ নাম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি?

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী প্রশ্ন। ‘স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক’ নামটি আমাদের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে অর্জিত সুনাম, ঐতিহ্য ও ব্র্যান্ড ভ্যালুর অংশ। গ্রাহক ও অংশীজনদের মধ্যে নামটি একটি সুপরিচিত ও আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তবে ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের পর আমাদের শরিয়াহসম্মত ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা চলছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্যাংকের নাম যেন ইসলামী মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও ব্যাংকিং কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যে আমাদের দীর্ঘদিনের পরিচিতি ও আস্থা অটুট থাকে। বিষয়টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

যেসব ব্যাংক ভবিষ্যতে ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তর হতে চায়, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকিং বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও আস্থা অর্জন করেছে এবং তাত্ত্বিক ও পরিচালনগত সাফল্যের মধ্য দিয়ে এর অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রয়েছে। এটি শুধু গতানুগতিক ব্যাংকিং মডেল নয়; বরং একটি টেকসই, ন্যায়নিষ্ঠ ও কল্যাণমুখী আর্থিক ব্যবস্থা, যা ভবিষ্যতের জন্য যথার্থ পথনির্দেশনা দিতে সক্ষম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল ও সম্ভাবনাময়। দেশের জনগণের মধ্যে সুদমুক্ত ব্যাংকিংয়ের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ রয়েছে। সরকারের নীতিগত সহায়তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকর ভূমিকা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও দক্ষ মানবসম্পদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি এ খাতকে আরো জনপ্রিয় করেছে।

যেসব ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের বিবেচনা করছে, তাদের প্রতি পরামর্শ হলো এ রূপান্তরের জন্য আন্তরিকতা ও সুদৃঢ় প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন। সফল রূপান্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষ পরামর্শক ও কার্যকর শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি গঠন করা, যারা ব্যাংকের প্রতিটি কার্যক্রম শরিয়াহর আলোকে মূল্যায়ন ও তদারক করবে। প্রশিক্ষিত ও শরিয়াহবিষয়ক সচেতন জনবল গড়ে তুলতে হবে, যারা ইসলামী ব্যাংকিংয়ের মৌলিক দর্শন ও চর্চায় পারদর্শী। প্রযুক্তিনির্ভর টেকসই অবকাঠামো তৈরি করতে হবে, যাতে ইসলামী ব্যাংকিং সেবা ও কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হয়। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা, সুশাসন ও গ্রাহকসেবায় নৈতিকতার মানদণ্ড বজায় রাখা অপরিহার্য।

শরিয়াহ পরিপালনে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের বর্তমান অবস্থান কেমন?

শরিয়াহ পরিপালনকে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রকৃত সফলতা নির্ভর করে শরিয়াহর নিখুঁত অনুসরণ ও বাস্তবায়নের ওপর। কারণ শরিয়াহ একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা, যা মানবকল্যাণের জন্যই এসেছে। সুতরাং শরিয়াহ পরিপালনের মধ্যেই নিহিত রয়েছে সত্যিকারের কল্যাণ ও শান্তি। এ বিশ্বাস থেকেই আমাদের মূলনীতি ও দর্শন হওয়া উচিত ‘শরিয়াহ ফার্স্ট, শরিয়াহ মাস্ট, শরিয়াহ লাস্ট’।

আমাদের ব্যাংকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃত স্বনামধন্য ফকিহ এবং বরেণ্য গবেষক ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি রয়েছে। এ কমিটি প্রতিটি ব্যাংকিং প্রডাক্ট, সেবা ও লেনদেন শরিয়াহর আলোকে গভীরভাবে পর্যালোচনা ও অনুমোদন করে, যাতে কোনো স্তরে শরিয়াহর ব্যত্যয় না ঘটে। এছাড়া আমাদের শরিয়াহ সেক্রেটারিয়েট ডিভিশনে কর্মরত রয়েছেন ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষায় সুসজ্জিত একটি প্রশিক্ষিত দল, যারা নিয়মিত শরিয়াহ অডিট পরিচালনা করেন। পাশাপাশি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যাতে সর্বস্তরে শরিয়াহর চেতনা ও প্রয়োগ বাস্তবায়ন হয়।

ব্যক্তিগতভাবে আমি সেন্ট্রাল শরিয়াহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশের ফিকহ কমিটির সদস্য হিসেবে শরিয়াহ পরিপালন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখি এবং সরাসরি তদারকির অংশ হিসেবে যুক্ত থাকি। আমাদের লক্ষ্য শুধু ইসলামী ব্যাংকিংয়ের কাঠামো গ্রহণ নয়, বরং নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও শরিয়াহভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি আদর্শ ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক কোন খাতে বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং মুনাফার বর্তমান অবস্থা কী?

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক শিল্প, কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই) খাতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকটি উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যে রফতানিমুখী শিল্প খাতকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও ব্যাংকটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

সুপরিকল্পিত বিনিয়োগ কৌশল, দক্ষ তহবিল ব্যবস্থাপনা ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ নানা উদ্যোগের ফলে ব্যাংকের আয় ও মুনাফার ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭৪ শতাংশ বেড়েছে, যা ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসনেরই প্রতিফলন। এ বছরও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে।

 

মো. হাবিবুর রহমান
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024