শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ডলারের সরবরাহ বেশি, দাম কমে ১২০ টাকার নিচে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৮ পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের মূল্য এক সপ্তাহে প্রায় ২ টাকা ৯০ পয়সা কমে এসেছে। বাজারে ডলারের চাহিদা হ্রাস এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এই দরপতনের মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।ব্যাংক লোন

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বেশিরভাগ ব্যাংক রেমিট্যান্স ডলারের জন্য সর্বোচ্চ ১২০ টাকা রেট অফার করেছে। যদিও কিছু ব্যাংক দিন শুরুর দিকে ১২০ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত রেট দিলেও শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ লেনদেন ১২০ টাকার নিচে শেষ হয়। অথচ সপ্তাহের শুরুতে এই দর ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৯০ পয়সা পর্যন্ত।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বর্তমানে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। রেট কমার সম্ভাবনায় অনেকে ডলার ধরে রাখতে না চেয়ে বিক্রি করে দিতে চাইছে।”

এমনকি এক বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজের কান্ট্রি হেড জানিয়েছেন, “আমি এক ব্যাংককে ১০ মিলিয়ন ডলার বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলাম, তারা মাত্র ১ মিলিয়ন নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। আগে যে ডলার পাওয়া যেত না, এখন সেটিই ব্যাংকগুলো নিচ্ছে না।”

২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে রেকর্ড ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই সময়ে রপ্তানি আয়ের প্রবাহও স্বাভাবিক ছিল। এর ফলে বাজারে ডলারের সরবরাহ অনেক বেড়েছে।

এক বেসরকারি ব্যাংকের ডেপুটি এমডি জানান, “আগে ১২০ টাকা ৮০ পয়সা রেটেও অনেকে রেমিট্যান্সের ডলার কিনত, এখন আমরা আরও কম দামে পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। কারণ বেশি দামে কিনে পরবর্তীতে লোকসানে বিক্রি করতে হতে পারে।”

মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেরা দর নির্ধারণ করে ডলার লেনদেন করতে পারে।
এই নীতি চালুর পর থেকেই ডলারের দাম ধীরে ধীরে কমছে।

এক সময় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো সরকারি আমদানির বিল পরিশোধে রিজার্ভ থেকে ডলার পেত। এখন তাদের বাজার থেকেই সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। এর ফলে তারা বড় অঙ্কে রেমিট্যান্সের ডলার কিনে আগের বকেয়া বিল পরিশোধ করেছে এবং বর্তমানে অতিরিক্ত ডলারের প্রয়োজন নেই।ব্যাংক লোন

বিশ্লেষকদের মতে, যদি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ধারা অব্যাহত থাকে এবং আমদানি চাপ না বাড়ে, তাহলে ডলারের দাম আরও কিছুটা কমতে পারে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে আবার ডলার কিনতে শুরু করলে সাময়িকভাবে দামে উল্টো চাপ পড়তে পারে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024