বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান প্রতি বছরে গড়ে একটা করে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ধংশ হয়।আমার কথা হচ্ছে এই লক্কর ঝক্কর মার্কা ও পরিত্যক্ত বিমান কেনার সাথে যারা যারা জড়িত তদন্ত করে তাদের নাম জনসম্মুখে আনা হউক এবং দ্রুত আইনে তাদের বিচার করা হউক লুটপাট ও জান মালের ক্ষয়ক্ষতির জন্য।
এই সকল বিমান রক্ষনাবেক্ষনের জন্য গাফিলতি ও মেইন্ট্রেন্যান্স বাবদ ফান্ড তসরুপকারীদেরও আইনের আওতায় আনা হউক। দুইদিন পরে এই শোক কেটে যাবে কিন্তু লুটপাটকারীদের লাগাম না টেনে ধরলে আগামীতে আবারও এমন পরিস্থিতির মুখামুখি হতে হবে আমাদের। অতীতে অনেক দূর্ঘটনা ঘটেছে এবং তা নিয়ে তদন্ত কমিটি হয়েছে।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নাই।
এগুলো দেশের মানুষকে বোকা বানানো ছাড়া আর কিছুই না।বর্তমান সরকারের উচিত এবারের দূর্ঘটনা নিয়ে একটা কায্যকর তদন্ত কমিটি করা এবং নির্ধারিত সময়ে তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মুখে জানানো। এবং একই সাথে বিমান বাহিনীতে পুরানো সকল বিমান সনাক্ত করে তা প্রশিক্ষণ তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া। বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য দেশের বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়ন করার জন্য অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ক্রয়ে কায্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া। দেশের আকাশ পথকে নিরাপদ ও বহি শত্রুর আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে একটা আধুনিক ও সুপ্রশিক্ষিত বিমান বাহিনীর বিকল্প নেই।
মো:এরশাদ
ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পি এল সি
সোনারগাঁও জনপথ শাখা