শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

“চুপ করে মার খাওয়া নয়, পালটা জবাব দিন”: মিঠুনের হুঙ্কার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ২২৫ পড়া হয়েছে

“চুপ করে মার খাওয়া নয়, পালটা জবাব দিন”: মিঠুনের হুঙ্কার

বলিউডের ‘ডিসকো ড্যান্সার’ এবার বাংলার ভোট রাজনীতিতে ‘পাঞ্চলাইন’ মারলেন। আরামবাগে একটি রাজনৈতিক সভায় বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর মন্তব্যে আবার ছড়াল উত্তাপ। বললেন, ‘মার খেয়ে বাড়ি ফিরবেন না। পালটা মার দিন। পারলে মারবেন।’

শুক্রবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক তোপ দেগে মিঠুন বলেন, এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত, রাজ্যে নারীদের কোনো সুরক্ষা নেই। ভোটার তালিকায় ভুয়া নাম ঢুকিয়ে গণতন্ত্রকে লুট করছে তৃণমূল।

বিহারে নির্বাচন কমিশনের তালিকা সংশোধনের জেরে বাদ পড়েছে ৫৬ লাখ ভুয়া ভোটারের নাম। সেই প্রসঙ্গ টেনে মিঠুন বলেন, বাংলাতেও খতিয়ে দেখা দরকার, কে কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে এসেছে। রাজ্য সরকারকে তা মানতেই হবে।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি কার্যত রাজ্যে এনআরসি এবং ভোটার যাচাই ঘিরে নতুন বার্তা দিতে চাইল বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

তবে পালটা ঘুঁটি সাজিয়ে তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মিঠুন চক্রবর্তীকে আমি অভিনেতা হিসেবে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু রাজনীতিতে তিনি একজন জোকার। বাংলার মাটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের টিকিটে একবার রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন, পরে ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে পদ ছেড়ে পালিয়েছেন।’

ভোটের মুখে আবারও রাজনৈতিক হিংসা, নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও ভুয়া ভোটার ইস্যুকে সামনে এনে বিজেপি তাদের পুরোনো আক্রমণাত্মক ছন্দে। আর সেই সুরেই হুংকার দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারকা প্রভাব কাজে লাগিয়ে রাজ্যজুড়ে জনসংযোগ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মিঠুনের মুখে এবার যে সরাসরি সংঘর্ষের ভাষা উঠে এল, তা রাজ্যের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী আবহে কাঁপন ধরাতে যথেষ্ট।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024