শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বাংলা সিনেমার ভবিষ্যত গড়তে ১০০ হল নির্মাণ করবেন প্রসেনজিৎ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৩২৫ পড়া হয়েছে

বাংলা সিনেমার ভবিষ্যত গড়তে ১০০ হল নির্মাণ করবেন প্রসেনজিৎ

ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা, প্রযোজক এবং পরিচালক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু পর্দার নায়ক নন বরং ইন্ডাস্ট্রির প্রকৃত অভিভাবকও। বাংলা সিনেমার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবার তিনি এগিয়ে এসেছেন এক ব্যতিক্রমধর্মী ও সাহসী উদ্যোগ নিয়ে।

এন আইডিয়াস নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আছে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। এ প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত সিনেমা ও সিরিয়াল নির্মিত হয়। বাংলা সিনেমার উন্নতির লক্ষ্যে এক বিশাল পদক্ষেপ নিতে চলেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি সারা পশ্চিমবঙ্গে ১০০টি ‘মাইক্রো ফরম্যাট’ প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যা ভারতের বিনোদন জগতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মমতা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা কেবল পশ্চিমবঙ্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং এটি জাতীয় স্তরে বাস্তবায়িত হবে। এর মাধ্যমে বিনোদন জগত যেমন উপকৃত হবে। তেমনি বহু মানুষের কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।

প্রসেনজিৎ বলেন, ‘সিনেমা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটা আমাদের সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় আর গভীর আবেগের জায়গা। আগে প্রতিটি শহরেই একাধিক সিনেমা হল ছিল। মানুষ পরিবারসহ হলে গিয়ে সিনেমা দেখত। এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। আমি চাই নতুন প্রজন্ম ফের ফিরে পাক হলের সেই অভিজ্ঞতা।’

এই ১০০টি সিনেমা হল হবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন। প্রতিটি প্রেক্ষাগৃহে থাকবে উন্নতমানের সাউন্ড সিস্টেম, আরামদায়ক আসন, ডিজিটাল প্রজেকশন এবং মাল্টিপ্লেক্সের আদলে বিন্যাস। শুধু তাই নয়, এই হলগুলোতে স্থানীয় নির্মাতাদের জন্য আলাদা অগ্রাধিকার থাকবে।

প্রসেনজিতের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ইন্ডাস্ট্রির অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, যখন একের পর এক প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন এমন সাহসী পদক্ষেপ বাংলা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কলকাতার নবীনা প্রেক্ষাগৃহের মালিক নবীন চৌখানি বলেন, ‘সিঙ্গেল স্ক্রিন হলের সংখ্যা কমে যাওয়ায় অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল এই সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে। বুম্বাদা (প্রসেনজিৎ) অবশেষে তা বাস্তবে রূপ দিতে চলেছেন, যা খুবই আনন্দের।’

জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক অঙ্কুশ হাজরা প্রসেনজিতের এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। তার কথায়, ‘আমরা কেবল পরিকল্পনা করি কিন্তু অনেক সময় তা বাস্তবায়ন করতে পারি না। বুম্বাদা করে দেখাচ্ছেন।’

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024