২০২৫ সালের ৫ আগস্ট, ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত “৩৬ জুলাই উদ্যাপন” অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস “জুলাই ঘোষণাপত্র” পাঠ করেন। এ ঘোষণাপত্রে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পটভূমি, বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের একদলীয় শাসনব্যবস্থা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। এতে গণতন্ত্র নষ্ট হয় এবং মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়।
বাকশালের পতন, ১৯৯০-এর গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৯১ সালের সংসদীয় গণতন্ত্র ছিল মানুষের অধিকারের ধারাবাহিক আন্দোলন।
২০০৯ থেকে টানা আওয়ামী লীগ শাসনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম-খুন, দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও ভোট প্রহসনের মাধ্যমে দেশে এক ধরনের ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়।
কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে সূচনা, অতঃপর সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান হয়। এতে হাজারো প্রাণ হারায়। শেষে শেখ হাসিনার পতন ঘটে।
৫ আগস্ট ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর জনআস্থাভিত্তিক অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় ড. ইউনূসের নেতৃত্বে।
অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান।
শহীদদের জাতীয় বীর ঘোষণার দাবি।
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও মানবিক সহায়তা।
গণতান্ত্রিক, মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়।
এই ঘোষণাপত্রকে ভবিষ্যৎ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির প্রত্যাশা।