শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি নিম্নমুখী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৮ পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি নিম্নমুখী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি নিম্নমুখী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

টানা প্রায় পৌনে দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি নিম্নমুখী। পাশাপাশি কানাডা ও আমেরিকাসহ ইউরোপের প্রধান নয়টি বাজারেও রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ কমেছে। তবে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মতো নতুন বাজারে প্রবৃদ্ধি হওয়ায় সার্বিকভাবে পোশাক খাতের আয় কিছুটা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রপ্তানি ছিল ২০৭ কোটি ডলার, যা দ্বিতীয় প্রান্তিকে নেমে আসে ১৯৭ কোটি ডলারে। তৃতীয় প্রান্তিকে সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ২১৬ কোটি ডলার, কিন্তু চতুর্থ প্রান্তিকে আবার কমে হয় ১৭৩ কোটি ডলার। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরেও একই ধারা অব্যাহত থেকেছে, যেখানে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে রপ্তানি দাঁড়ায় ১৮১ কোটি ডলারে।

প্রধান নয়টি বাজারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি সর্বাধিক (১৮১ কোটি ডলার), দ্বিতীয় স্থানে জার্মানি (১১৫ কোটি ডলার), এরপর যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, কানাডা ও বেলজিয়াম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত শুল্ক কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ, প্রতিযোগী দেশ যেমন ভারত (৫০% শুল্ক), ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, কম্বোডিয়া—সবগুলোতেই শুল্কহার প্রায় সমান। সরকারের নীতিসহায়তা, পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং উৎপাদন খরচ কমানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়ানো সম্ভব।

তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। সম্প্রতি ভারত সরকার স্থলপথে পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যা ওই বাজারে প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাও আগামীতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024