শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার দিন শেষ, বাধ্যতামূলক ‘না ভোট’ আসছে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৮ পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার দিন শেষ, বাধ্যতামূলক ‘না ভোট’ আসছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনি আইনে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ এবার শেষ হতে যাচ্ছে। একক প্রার্থী হলেও ভোটে ‘না ভোট’ দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এছাড়া নির্বাচনি অনিয়মের কারণে পুরো আসনের ভোট বাতিল করার ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে কমিশন।

নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জোট করলেও প্রার্থীকে নিজের দলের প্রতীকেই ভোট করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী যুক্ত করা হয়েছে। ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত ধারা আরপিও থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীর হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল বা এমপি পদ হারাতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।

সোমবার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নবম কমিশন সভার মুলতুবি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ২০০৮ সালের নির্বাচনে সব আসনে ‘না ভোট’ থাকলেও পরে তা বাতিল করা হয়। এবার একক প্রার্থী থাকলে ‘না ভোট’ বাধ্যতামূলক করা হবে, যাতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়া বন্ধ হয়।

এছাড়া নির্বাচনি কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণ হলে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। লটারির মাধ্যমে সমান ভোট পাওয়া প্রার্থী নির্ধারণের নিয়মও বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের বিধান যোগ হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মীরা ভোট গণনার সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন, তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের পাশাপাশি ‘নিবন্ধন স্থগিত’ করার বিধানও যুক্ত হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024