২০২৫-২৬ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম গত ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ উদ্বোধন করেন। প্রথম ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ১৩ আগস্ট পর্যন্ত, মোট ৯৬ হাজার ৯৪৫ জন করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন জমা দিয়েছেন।
গত বছরের একই সময়ে অনলাইন রিটার্নের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০ হাজার ৫২৩, ফলে এবার দৈনিক গড় হারে প্রায় পাঁচগুণ বৃদ্ধি হয়েছে। বিষয়টি বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এনবিআর গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জারি করা এক আদেশে জানিয়েছিল— ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ, শারীরিকভাবে অক্ষম, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, বিদেশে অবস্থানরত বা মৃত করদাতার প্রতিনিধিদের ছাড়া সকল ব্যক্তির জন্য ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। তবে ১১ আগস্টে সংশোধিত আদেশে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
নিবন্ধন সমস্যার কারণে যারা ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন না, তারা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের অনুমতি নিয়ে পেপার রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। করদাতারা এখন ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অনলাইনে কর পরিশোধ করতে পারছেন। রিটার্ন দাখিলের পর সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে Acknowledgement Slip ও আয়কর সনদ ডাউনলোডের সুবিধাও রয়েছে।
করদাতাদের সুবিধার্থে এনবিআর হেল্পলাইন ০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১ চালু করেছে। এছাড়া www.etaxnbr.gov.bd পোর্টালের eTax Service থেকে অনলাইন সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে। এনবিআর করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্যসহ দায়িত্বশীলভাবে ই-রিটার্ন দাখিলের আহ্বান জানিয়েছে।