শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, আমদানি বাড়লেও বাজারে ৩০০ টাকা কেজি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৯ পড়া হয়েছে
কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, আমদানি বাড়লেও বাজারে ৩০০ টাকা কেজি

কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, আমদানি বাড়লেও বাজারে ৩০০ টাকা কেজি

অতিরিক্ত বর্ষণ ও বন্যায় সারাদেশে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ফলে স্থানীয় চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে মরিচ আমদানি বেড়েছে। শুধুমাত্র গত এক মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১ হাজার ৫২১ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করেছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ—আমদানিকারকের নথি অনুযায়ী ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির খরচসহ সর্বোচ্চ কেজিপ্রতি ৮০–৮৫ টাকার মধ্যে হলেও খুচরা বাজারে সেই মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (২১ আগস্ট) বেনাপোল বন্দর দিয়ে নতুন করে আরও ১১টি ট্রাকে ১৬৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়। বাজারের খুচরা পর্যায়ে দেখা যায়, দুই সপ্তাহ আগেও কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। অথচ বর্তমানে তা কয়েকগুণ বেড়ে ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

বেনাপোলের আমদানিকারক হাফিজ আহমেদ জানান, মরিচের বড় অংশ ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে আনা হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে তারা কম লাভেই বিক্রি করছেন। কিন্তু হাতবদলের পর খুচরা বাজারে দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, “প্রতি কেজি মরিচ আমদানিতে সরকারকে ৩৬ টাকা শুল্ক দিতে হয়। যদি শুল্ক কমানো হয়, তাহলে আমদানির ব্যয় কমবে এবং খুচরা বাজারেও দাম কিছুটা কমে আসবে।”

স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, আমদানিকৃত মরিচের বড় অংশ বিভাগীয় ও জেলা শহরে চলে যায়। এজন্য স্থানীয় বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি হচ্ছে। তবে আমদানি বাড়লে দাম স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তারা।

অন্যদিকে, বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, “চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে, যাতে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।”

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024