শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

কিম জং উন বেইজিং সফর: বিজয় দিবস কুচকাওয়াজে পুতিন-সির সঙ্গে এক মঞ্চে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৯ পড়া হয়েছে
কিম জং উন বেইজিং সফর

কিম জং উন বেইজিং সফর: বিজয় দিবস কুচকাওয়াজে পুতিন-সির সঙ্গে এক মঞ্চে

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন আগামী সপ্তাহে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং চীনের জাপানের বিরুদ্ধে বিজয়ের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এ কুচকাওয়াজ বৈশ্বিক নেতাদের মিলনমেলায় পরিণত হতে যাচ্ছে।

বিশ্বের অন্তত ২৬ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যদি কিম জং–উন অংশ নেন, তবে এটি হবে তাঁর প্রথমবারের মতো বড় আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতি এবং কূটনৈতিক দিক থেকে সি চিন পিংয়ের জন্যও একটি বড় সাফল্য।

কুচকাওয়াজে চীন প্রদর্শন করবে তাদের সর্বাধুনিক সামরিক শক্তি—যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, ড্রোনবিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং নতুন সেনা কাঠামো। তিয়ানআনমেন স্কয়ারে প্রায় ৭০ মিনিটব্যাপী এ কুচকাওয়াজে অংশ নেবে হাজারো সেনা। পুরো আয়োজন তত্ত্বাবধান করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।

চীন এ সময় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। ২০১৫ সালে পিয়ংইয়ং কুচকাওয়াজে একজন শীর্ষ প্রতিনিধি পাঠালেও এবার কিম নিজে উপস্থিত থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে বেইজিংয়ের মঞ্চে সি চিন পিং ও পুতিনের পাশাপাশি কিমকে দেখা গেলে তা হবে ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।

এদিকে, সামরিক কুচকাওয়াজের সময়টিও ভূরাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অক্টোবরের শেষ দিকে এশিয়া সফরে আসতে পারেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। এমন প্রেক্ষাপটে পুতিন ও কিমের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ চীনের নেতাকে বাড়তি সুবিধা এনে দিতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে–মিয়ংকেও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে তিনি এখনও অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেননি। যদি যোগ দেন, তবে ২০১৯ সালের পর উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতাদের এটি হবে প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। যদিও উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত লির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং কিম তাঁকে ‘সংঘাতপ্রবণ উন্মাদ’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

লি যদি অংশগ্রহণ করেন, তবে কিমের সঙ্গে তাঁর সরাসরি সাক্ষাৎ হতে পারে, তবে একইসঙ্গে ঝুঁকিও থাকবে। প্রকাশ্যে উপেক্ষা বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বিব্রতকর হতে পারে। এ ছাড়া রাশিয়া, বেলারুশ ও ইরানের প্রেসিডেন্টদের পাশে দাঁড়ানো লির কূটনৈতিক অবস্থানকেও চাপে ফেলতে পারে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024