শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

কংগ্রেস-বিজেপি সংঘর্ষ পাটনায়, হাতাহাতি ও বিক্ষোভ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৯ পড়া হয়েছে
কংগ্রেস-বিজেপি সংঘর্ষ

কংগ্রেস-বিজেপি সংঘর্ষ পাটনায়, হাতাহাতি ও বিক্ষোভ

ভারতের রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রি নরেন্দ্র মোদি এবং তার প্রয়াত মাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের এক কর্মীর কটূক্তি বিষয়ক অভিযোগের পর শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিহারের রাজধানী পাটনা এবং পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা-তে কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।

কংগ্রেস-বিজেপি সংঘর্ষ

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে কয়েক দিন আগে দরভঙ্গা-এর কংগ্রেস সমাবেশে। সমাবেশের মঞ্চে কংগ্রেসের এক কর্মী মোদি ও তার মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতেই বিজেপি কর্মীদের ক্ষোভ উন্মুক্ত হয়। রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে ঘটনার কারণে বিজেপি অভিযোগ করেছে, কংগ্রেস নেতৃত্ব নীরব থেকেছে।

শুক্রবার সকালে পাটনার সাদাকাত আশ্রমে বিজেপির মিছিল পৌঁছালে মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। লাঠি ও পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে পড়েন উভয় দলের কর্মীরা। সংঘর্ষের ফলে কংগ্রেস দপ্তরের গেট ভেঙে যায় এবং আশপাশের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লাঠিচার্জের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অন্যদিকে, একই দিনে কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ দেখা যায়। সেখানে রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার আগুনে পোড়ানো হয়। বিজেপির দাবি, এটি মোদির কটূক্তির জবাব। তবে কংগ্রেস অভিযোগ করে, এটি পরিকল্পিত ভাঙচুর। কলকাতা পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

দুই দলই একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে। কংগ্রেস বলেছে, বিজেপি নির্বাচনের আগে ভয় দেখানোর কৌশল নিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি বলছে, মোদিকে নিয়ে কটূক্তি হওয়া সত্ত্বেও কংগ্রেস নেতৃত্ব চুপ থাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024