শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বাংলাদেশ ব্যাংক সংকটের কারণে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক কার্যত দেউলিয়া

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮২ পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংক সংকটের কারণে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক কার্যত দেউলিয়া

বাংলাদেশ ব্যাংক সংকটের কারণে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক কার্যত দেউলিয়া

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদী অনিয়ম এবং লুটপাটের খেসারত এখন সাধারণ গ্রাহকরা দিতে হচ্ছে। দেশের বহু ব্যাংকে গ্রাহকরা তাদের গচ্ছিত অর্থ তুলতে পারছেন না। বিশেষ করে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক—এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক কার্যত নামেমাত্র টিকে আছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দীর্ঘদিনের দুর্বল ব্যবস্থাপনা, খেলাপি ঋণ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সরকারের উদাসীনতার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একসময় বাংলাদেশ ব্যাংক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিল, কিন্তু এখন সেই সহায়তা বন্ধ হয়ে গেছে।

গ্রাহকরা এখন চরম দুর্ভোগে। কেউ কয়েক হাজার টাকার বেশি তুলতে পারছেন না, আবার অনেকে কোনো টাকা তুলতেও পারছেন না। রাজধানীর মতিঝিল, হাটখোলা, বনানী ও মিরপুরের শাখাগুলোতে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। তবে টাকা না পাওয়ায় গ্রাহকরা হতাশ, ক্ষুব্ধ এবং কখনও কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

মতিঝিলের গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের এক গ্রাহক বলেন, “ছেলের স্কুল ফি দিতে এসেছিলাম, কিন্তু টাকা পেলাম না। ব্যাংকের লোকজন শুধু কাল-পরশুর আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন।”

উইজ্ঞানিক অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর কাগুজে ঋণ, অনিয়ন্ত্রিত আর্থিক খাত, বড় ধরনের দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যাংক খাতের এই দুরবস্থা সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে ধাপে ধাপে মার্জার ও সংস্কারের আওতায় আনা হবে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে, এবং সেই সময়ে সাধারণ গ্রাহকরা তাদের দৈনন্দিন অর্থ ব্যবহার করতে পারছেন না। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে টাকা তুলতে না পেরে ধারদেনায় জড়িয়ে যাচ্ছেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024