শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

অপরিশোধিত তেলের দাম কমছে: ওপেক প্লাসের উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রধান কারণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৯ পড়া হয়েছে
অপরিশোধিত তেলের দাম কমছে: ওপেক প্লাসের উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রধান কারণ

অপরিশোধিত তেলের দাম কমছে: ওপেক প্লাসের উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রধান কারণ

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম টানা চাপের মুখে। এর মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ওপেক প্লাসভুক্ত দেশগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, লন্ডনের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ০.৭% কমে দাঁড়িয়েছে ৬৭.১৪ মার্কিন ডলারে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ০.৭% কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৩.৫০ ডলারে নেমে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন ওপেক প্লাস বৈঠকই বর্তমানে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের নজরে। ওই বৈঠকে যদি উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়, তবে বাজারে তেলের উদ্বৃত্ত আরও বেড়ে যাবে। বিশেষত, যখন বৈশ্বিক চাহিদা তুলনামূলক কম রয়েছে, তখন দাম আরও কমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ওপেক প্লাসভুক্ত আট সদস্য দেশ বৈঠকে বসবে। বৈঠকের সঙ্গে সম্পৃক্ত দুটি সূত্র জানায়, অক্টোবরে তেল উৎপাদন আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা আলোচনা হবে। বাজারের হারানো অংশীদারিত্ব পুনরুদ্ধারের কৌশল হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এর আগে, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওপেক প্লাস প্রতিদিন প্রায় ২২ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে আলাদাভাবে অতিরিক্ত ৩ লাখ ব্যারেল উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হয়।

চীনা প্রতিষ্ঠান হাইটং সিকিউরিটিজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎপাদন বৃদ্ধি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের তেল বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। এতে সৌদি আরবসহ অন্যান্য সদস্য দেশ আরও উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ ব্যাংকের জ্বালানি বিশ্লেষক বিবেক ধর মনে করেন, ওপেক প্লাসের লক্ষ্য এখন কেবল উচ্চমূল্য নয়, বরং বড় বাজার শেয়ার দখল করা। তার মতে, তারা এখন ৭০ ডলারের চেয়ে বরং ব্যারেলপ্রতি ৬০–৬৫ ডলার দামে ব্রেন্ট তেল বিক্রি করতে বেশি আগ্রহী। তিনি সতর্ক করে বলেন, দাম যদি এই সীমায় নেমে আসে, তবে মার্কিন শেল তেলের উৎপাদন অর্থনৈতিকভাবে টেকসই রাখা কঠিন হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত বেড়ে যাওয়ায় বাজারে আরও চাপ তৈরি হয়েছে। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে মজুত বেড়েছে ৬ লাখ ২২ হাজার ব্যারেল। যা বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের পুরোপুরি বিপরীত এবং ইতোমধ্যেই দাম কমার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024