শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

শ্রম আইন সংস্কার বিইএফ-এর উদ্বেগ: ট্রেড ইউনিয়ন প্রস্তাবে অস্থিরতার আশঙ্কা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৬ পড়া হয়েছে
শ্রম আইন সংস্কার বিইএফ-এর উদ্বেগ: ট্রেড ইউনিয়ন প্রস্তাবে অস্থিরতার আশঙ্কা

শ্রম আইন সংস্কার বিইএফ-এর উদ্বেগ: ট্রেড ইউনিয়ন প্রস্তাবে অস্থিরতার আশঙ্কা

শ্রম আইন সংস্কারের প্রস্তাবে মাত্র ২০ জন শ্রমিকের অংশগ্রহণে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির মহাসচিব ফারুক আহাম্মাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় মালিক, শ্রমিক ও সরকারের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার পরও নতুন করে কিছু সুপারিশ যোগ করা হয়েছে। এই সুপারিশগুলো শ্রমবাজারের মূল দুই অংশীজন—মালিক ও শ্রমিক—কে পাশ কাটিয়ে আনা হয়েছে।

বিইএফ মনে করছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে মাত্র ২০ জন শ্রমিক নিয়ে ইউনিয়ন গঠনের অনুমতি দিলে শিল্পের বাইরের স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর হস্তক্ষেপ বাড়বে, কর্মক্ষেত্রে অস্থিরতা তৈরি হবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে।

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ প্রকৃত ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার বদলে উল্টো বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে, যা শ্রমিক ও মালিক উভয়ের জন্য ক্ষতিকর হবে।

বিইএফ আরও বলেছে, শ্রম আইন সংস্কার অবশ্যই দেশের বাস্তবতা, শিল্প খাতের কাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হতে হবে। বাহ্যিক চাপ বা আরোপিত সংশোধনী কার্যকরভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না, বরং আরও জটিলতা তৈরি করবে।

সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, শ্রম আইন সংস্কারের আগে শ্রম পরিদর্শন ব্যবস্থার দুর্বলতা, বিরোধ নিষ্পত্তিতে অকার্যকারিতা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদের সীমাবদ্ধতা দূর করা জরুরি।

বিইএফ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা ত্রিপক্ষীয় নীতিমালা বজায় রেখে সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে স্বচ্ছ আলোচনার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করে।

সংগঠনটির মতে, অবাস্তব কোনো সংশোধনী সাময়িকভাবে আন্তর্জাতিক মহলকে খুশি করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর খেসারত দিতে হবে দেশের শিল্প খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ, শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা এবং লাখ লাখ শ্রমিকের জীবিকা দিয়ে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024