ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে এমন নায়ক খুব কমই জন্মায়, যার অভিনয়, স্টাইল এবং ক্যারিশমা এমনভাবে দর্শকের মনে জায়গা করে রাখে। সালমান শাহ সেই ক্ষণজন্মা নক্ষত্র, যিনি মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্রজীবনে দর্শক হৃদয়ে অমর হয়ে থাকলেন।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, সালমান শাহ সবাইকে বিস্মিত করে না ফেরার দেশে চলে যান। মৃত্যুর এত বছর পরও তার প্রতিটি অভিনয়, সংলাপ এবং হাসিমুখ দর্শকের মনে আজও জীবন্ত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তার কাজের মধ্যে আবেগ ও প্রাণবন্ততা খুঁজে পায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিশেষ দিনে নায়িকা দীঘি লিখেছেন, “সময় যেন থমকে গিয়েছিল সেই ৬ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৬। মাত্র কয়েক বছরের চলচ্চিত্রজীবন, অথচ তার প্রতিটি চরিত্র, প্রতিটি সংলাপ আজও মানুষের মনে গেঁথে আছে। সালমান শাহ শুধুই একজন অভিনেতা নন, তিনি এক আবেগ, এক ভালোবাসা, এক প্রজন্মের স্বপ্নদ্রষ্টা।”
সালমান শাহের অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে — ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমযুদ্ধ’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘জীবন সংসার’, ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। শাবনূরের সঙ্গে তার জুটি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছে, তবে তিনি মৌসুমী, শাবনাজ ও রোজিনার মতো নায়িকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে সফল হয়েছেন।
আজও সালমান শাহের স্মৃতি, হাসি এবং চলচ্চিত্রের অবদান কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর হয়ে আছে। মৃত্যুর পরও তিনি বেঁচে আছেন তার প্রতিটি চরিত্র, সংলাপ এবং প্রজন্মের মনে গড়ে দেওয়া ভালোবাসায়।