দেশের কৃষি উৎপাদন ও সার কারখানার চাহিদা পূরণে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে মোট ১ হাজার ৪০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। পাশাপাশি সার কারখানার জন্য ১০ হাজার টন ফসফরিক এসিডও কেনা হবে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,
মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। এ জন্য ব্যয় হবে ২১২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।
কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার। কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে আমদানির জন্য খরচ ধরা হয়েছে ১৭৭ কোটি ৩ লাখ টাকা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবে মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কেনা হবে। এতে খরচ হবে ৩৮১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
কাফকো-বাংলাদেশ থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে চীনের গুয়ানজি পেনগুই ইকো-টেকনোলজি থেকে ১০ হাজার টন ফসফরিক এসিড আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে খরচ হবে ১০২ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
এভাবে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে ও সার কারখানার চাহিদা পূরণে সরকারের এই উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।