শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

মূল্যস্ফীতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক শনাক্ত করল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬২ পড়া হয়েছে
মূল্যস্ফীতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক শনাক্ত করল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ

মূল্যস্ফীতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক শনাক্ত করল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির হার ভোক্তাদের জন্য সহনীয় মাত্রায় নামানোর জন্য তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  1. ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা

  2. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা

  3. রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করা

এই তিনটি ক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে থাকলে, মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশিত স্তরে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ৮.২৯%, যা ভোক্তাদের সহনীয় স্তর ৩–৪% এর তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। অর্থাৎ কমপক্ষে ৪.২৯% হ্রাস প্রয়োজন। দীর্ঘকাল ধরে এই হার ভোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ২০২২ সালের আগস্টে এটি সাড়ে ৯% অতিক্রম করেছিল, এবং সর্বোচ্চ ১১.৬৬% পর্যন্ত পৌঁছেছিল। তবে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপের ফলে বর্তমানে তা কমে ৮.২৯%-এ এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, সহনীয় মাত্রায় মূল্যস্ফীতি নামাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজন। বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লে ডলারের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে। এতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।

বর্তমানে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগ কম। তবে সরকারের পদক্ষেপে টাকা পাচার ও হুন্ডিবাজদের কার্যক্রম কমেছে, ফলে ডলারের প্রবাহ বাড়ছে এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, আগামী জুনের শেষে মূল্যস্ফীতির হার ৬% পর্যন্ত নেমে আসবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে, মূল্যস্ফীতি ৫% এর নিচে নামানো না হলে মুদ্রানীতি শিথিল করা ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কারণ ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয়ের চাপ মূল্যস্ফীতিকে পুনরায় বাড়াতে পারে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে, নীতিগত সুদের হার কমানো সম্ভব হবে এবং প্রকৃত সুদের হার বার্ষিক ২–৩% রাখা সম্ভব হবে।

দীর্ঘমেয়াদে সহনীয় এবং স্থিতিশীল মূল্যস্ফীতি অর্থনীতিতে বহুমুখী সুফল আনবে। এটি স্বল্প আয়ের মানুষের দুর্ভোগ কমাবে, বিনিয়োগ বাড়াবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024