শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বিমা কোম্পানির গড়িমসি শিল্পকে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিচ্ছে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৩ পড়া হয়েছে
বিমা কোম্পানির গড়িমসি শিল্পকে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিচ্ছে

বিমা কোম্পানির গড়িমসি শিল্পকে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিচ্ছে

গত বছরের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক টেক্সটাইল মিল দুষ্কৃতকারীদের হামলায় ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়। কারখানা, গুদাম ও স্থাপনায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ফলে উৎপাদনব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বিমা কোম্পানির কাছ থেকে অগ্নি ও শিল্প ঝুঁকি বিমার আওতায় দাবি করলেও দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও দাবি নিষ্পত্তি হয়নি।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) জানিয়েছে, বিমা কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে পদ্ধতিগত জটিলতা ও পলিসির শর্তের অপব্যাখ্যা করে দাবি নিষ্পত্তিতে গড়িমসি করছে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার অজুহাতে দাবি প্রত্যাখ্যানের ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে, যা শিল্প ও অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

সোমবার অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্য উপদেষ্টাকে দেওয়া এক চিঠিতে বিটিএমএ জানায়, বিমার মূল উদ্দেশ্য হলো বিপদের দিনে আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করা। অথচ বিমা কোম্পানির এই অবস্থান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেউলিয়ার মুখে ঠেলে দিচ্ছে এবং পুরো বিমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।

গত ৩ মার্চ সাধারণ বিমা করপোরেশনের পুনঃবিমা মহাব্যবস্থাপকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়, জুলাই-আগস্টের সব ঘটনাকে ‘পপুলার রাইজিং’ বা গণ-অভ্যুত্থান হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এর আওতায় বিমাদাবি পরিশোধযোগ্য হবে না। তবে এই সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিমাগ্রহীতা কিংবা বাণিজ্য সংগঠনগুলোর কোনো প্রতিনিধি ছিল না। বিটিএমএর মতে, এটি ন্যায়নীতি ও আইনের মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিটিএমএ বলছে, ওই সময় সংঘটিত সব সহিংসতাকে একই ধরনের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা ভুল। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শত্রুতা, ডাকাতি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, যা দাঙ্গা, নাগরিক বিশৃঙ্খলা বা বিদ্বেষমূলক ক্ষতির আওতায় পড়ে। সেক্ষেত্রে বিমা আইনে ৯০ দিনের মধ্যে দাবি নিষ্পত্তি করার বিধান কার্যকর হওয়া উচিত।

বিটিএমএর ৪টি প্রস্তাব

১. আইডিআরএ কর্তৃক সব নন-লাইফ বিমা কোম্পানিকে সার্কুলার জারি করে ৯০ দিনের মধ্যে দাবি নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা।
২. ‘দাঙ্গা ও হাঙ্গামা’ ধারার যৌক্তিক ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রদান।
৩. পুনঃবিমার অংশ দ্রুত ছাড় করতে সাধারণ বিমা করপোরেশনের সঙ্গে আইডিআরএর সমন্বয়।
৪. ৩ মার্চের সভায় নেওয়া একতরফা ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল।

বিটিএমএর দাবি, এই সংকট দ্রুত নিরসন না হলে হাজারো শ্রমিক কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে এবং দেশের পোশাক রপ্তানি খাতের সাপ্লাই চেইনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024