শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ঝ্যাং শিজিয়ে রকেট: ১৮ বছর বয়সে চীনা তরুণের প্রথম সফল উৎক্ষেপণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৭৪ পড়া হয়েছে
ঝ্যাং শিজিয়ে রকেট: ১৮ বছর বয়সে চীনা তরুণের প্রথম সফল উৎক্ষেপণ

ঝ্যাং শিজিয়ে রকেট: ১৮ বছর বয়সে চীনা তরুণের প্রথম সফল উৎক্ষেপণ

চীনের হান প্রদেশের এক গ্রামে বাস করা ১৮ বছর বয়সী তরুণ ঝ্যাং শিজিয়ে অনলাইনে ভিডিও দেখে নিজেই রকেট বানিয়ে চীনজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি প্রথম রকেট তৈরির প্রতি আগ্রহী হন। বাবার সঙ্গে বসে টেলিভিশনে সরাসরি রকেট উৎক্ষেপণ দেখার পর তার মধ্যে এ বিষয়ে উদ্দীপনা তৈরি হয়।

প্রথমে ঝ্যাং রকেট তৈরির বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তিনি অনলাইনের বিভিন্ন ভিডিও দেখে ডিআইওয়াই রকেট তৈরির কৌশল শিখতে শুরু করেন। তখন তিনি মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। একজন শিক্ষক জানান, গ্রামের সীমিত স্কুল সম্পদ ব্যবহার করে অনলাইন শিক্ষার মাধ্যমে ঝ্যাং অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছেন।

ঝ্যাং তার বোনের পুরোনো ল্যাপটপ ঠিক করে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। শুরুর দিকে পরিবারের খামার থেকে নাইট্রেট সংগ্রহ করে রান্নাঘরের চিনি ও পানির সঙ্গে মিশিয়ে রকেট জ্বালানি তৈরির চেষ্টা করেন। পরে স্কুলে শেখা ফিলট্রেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে আরও বিশুদ্ধ জ্বালানি তৈরি করতে সক্ষম হন।

তিনি পিভিসি টিউব ও সিমেন্ট ব্যবহার করে রকেট ইঞ্জিন তৈরি চেষ্টা করেন, যদিও প্রথম প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এরপর থ্রি-ডি মডেলিং ও সফটওয়্যার ডিজাইন শিখে নববর্ষের উপহার ও বন্ধুদের কাছ থেকে ধার করে একটি পুরোনো থ্রি-ডি প্রিন্টার কিনে রকেটের যন্ত্রাংশ তৈরি করেন।

২০২৩ সালের জুনে নিজের জন্মদিনে বাবা ও সহপাঠীদের সামনে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করার চেষ্টা করেন। প্রথম দিন বৃষ্টির কারণে ব্যর্থ হলেও পরদিন সফলভাবে রকেট ৪০০ মিটার উচ্চতায় উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হন। এ প্রচেষ্টায় তিনি চার ধরনের রকেট ইঞ্জিন তৈরি করেছেন, একাধিক একক ধাপের এবং একটি দুই ধাপের রকেট।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সহপাঠীরা সব সময় ঝ্যাংকে সমর্থন করেছেন। স্কুল তাকে ৩,৫০০ ইউয়ান (প্রায় ৫০০ ডলার) দিয়েছে এবং গবেষণার জন্য জায়গা প্রদান করেছে। লং নামে ৩০ বছর ধরে শিক্ষকতা করা একজন শিক্ষক জানান, তিনি জীবনে প্রথমবার একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি এত প্রগাঢ় ভালোবাসা দেখেছেন।

পরিবারও সব সময় ঝ্যাংয়ের পাশে ছিলেন। তার বাবা রাইডশেয়ার চালক এবং মা অন্য শহরে ন্যানি। বাবা জানান, ঝ্যাং ছোটবেলা থেকেই অন্য শিশুদের থেকে আলাদা; খেলনা ভাঙে ও যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করতে বেশি আগ্রহী ছিলেন।

সম্প্রতি ঝ্যাং শেনইয়াং অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। তার লক্ষ্য একদিন সত্যিকারের রকেট নকশা করা।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024