বৃষ্টি ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে রাজধানীর সবজির বাজার। কয়েক মাস ধরেই সবজির দাম নিয়ে ভোক্তাদের ভোগান্তি চলছে। মাঝে কিছুটা স্বস্তি মিললেও চলতি সপ্তাহে আবারো কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী বাজার ঘুরে দেখা যায়, ধুন্দল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০–৫০ টাকা, শসা ৫০–৮০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, ঝিঙে ৬০–৮০ টাকা, কহি ৫০–৬০ টাকা, আলু ২০–২৫ টাকা, আমড়া ৬০ টাকা এবং কচুর মুখি ৪০ টাকায়। অন্যদিকে করলা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৭০–৮০ টাকা, টমেটো ১২০–১৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, মূলা ৮০ টাকা, পটোল ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, বেগুন ৮০–১০০ টাকা এবং কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লাউ প্রতি পিস ৬০–৭০ টাকা ও চালকুমড়া ৫০ টাকায় মিলছে। কাঁচা মরিচের দাম চড়েছে কেজিতে ১৬০ টাকা।
শুধু সবজি নয়, মুরগির দামও বেড়েছে। এক মাসে ব্রয়লার মুরগির কেজি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম ২৬০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকায় উঠেছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৬০–৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ১,১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজার স্থিতিশীল। লাল ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, সাদা ডিম ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০–২৩০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিম ২৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে ইলিশের বাজারে। কেজিপ্রতি দাম কমেছে ১০০ টাকা। বর্তমানে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২,১০০ টাকা, ৭০০–৮০০ গ্রাম ইলিশ ১,৭৫০–১,৮৫০ টাকা, ৫০০–৬০০ গ্রাম ইলিশ ১,৫০০ টাকা এবং দেড় কেজি ইলিশ ৩,০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
তবে অন্যান্য মাছের দাম রয়ে গেছে আগের মতোই চড়া। বোয়াল ৭৫০–৯০০ টাকা, কোরাল ৮০০–৮৫০ টাকা, আইড় ৭০০–৮০০ টাকা, পাবদা ও শিং ৪০০–৫০০ টাকা, চাষের ট্যাংরা ৭৫০–৮০০ টাকা, কাঁচকি ৬৫০–৭০০ টাকা, মলা ৫০০–৫৫০ টাকা, রুই ৩৫০–৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, পাঙাশ ২২০–২৫০ টাকা, বাইলা ৮৫০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা এবং চিংড়ি কেজিপ্রতি ১,০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।