শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

পাঁচ বছর পর নীতি সুদহার কমাল ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৭ পড়া হয়েছে

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নীতি সুদহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল শুক্রবার আরবিআইয়ের নতুন গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো হার ৬.৫ শতাংশ থেকে ৬.২৫ শতাংশে নামানোর ঘোষণা দেন।

এই সিদ্ধান্ত ছিল আরবিআইয়ের পক্ষ থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথম সুদহার কমানো, যদিও ২০২০ সালের মে মাসে, যখন কোভিড মহামারির প্রভাব অনুভূত হচ্ছিল, তখনই শেষবার সুদহার কমানো হয়েছিল। সেবার অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বিরাট স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল এবং অর্থনীতিকে চাঙা করার জন্য সুদহার কমানো ছাড়া উপায় ছিল না। এরপর ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি বাড়তে শুরু করলে আরবিআই সুদহার বাড়ানো শুরু করে, যা ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলতে থাকে।

রেপো হার হলো সেই সুদের হার, যার মাধ্যমে আরবিআই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে থাকে। রেপো হার কমালে এতে ঋণের সুদহার কমে যায়, ফলে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা কম সুদে ঋণ গ্রহণে উৎসাহিত হন, যা অর্থনীতিতে গতি আনে। অন্যদিকে, রেপো হার বৃদ্ধি পেলে ঋণের সুদহার বাড়ে এবং ঋণ গ্রহণের প্রবণতা কমে যায়।

এখন আরবিআইয়ের রেপো হার কমানোর ফলে আশা করা হচ্ছে যে রাষ্ট্রায়ত্ত এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলো তাদের তহবিলভিত্তিক ঋণের সুদের হার, যা মার্জিনাল কস্ট অব ফান্ড বেসড লেন্ডিং রেট (এমসিএলআর) নামে পরিচিত, কমিয়ে দেবে। এতে ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ গ্রহণের খরচ কমবে এবং বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়বে।

আরবিআইয়ের মুদ্রানীতি কমিটি ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বৈঠক শুরু করেছিল এবং ৭ ফেব্রুয়ারি সুদহার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপটি ঋণ সস্তা করার এবং দেশের অর্থনীতিতে গতি আনার জন্য নেওয়া হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024