শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

সয়াবিনে কারসাজিতে জরিমানা খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীকে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১০২ পড়া হয়েছে

দেশের বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে ডিলারের কাছে গোপনে লোক পাঠায় ভোক্তা অধিদপ্তর। সয়াবিন তেল আছে কি না জানতে চাইলে, ‘নেই’ বলে জানায় পরিবেশক। পরে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা যেতেই ফাঁস হয় গোমর। কার্টনে কার্টনে তেল থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করছিলেন অসাধু কিছু ব্যবসায়ী। হাতেনাতে প্রমাণ পেয়ে দুই পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তবে পরিবেশকদের দাবি, দোকানে যেসব তেলের বোতল অধিদপ্তর পেয়েছে সেগুলো আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। বিক্রীত পণ্য স্টকে দেখান না তারা। তবু তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চালানো এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক ফয়েজ উল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য ছিল, বোতলজাত তেল বাজারে পাওয়া যাচ্ছিল না। কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহ করছে ডিলারের কাছে। কিন্তু ডিলাররা যথাযথভাবে দোকানগুলোতে তেল সরবরাহ করছে না। থাকার পরেও তারা বলছে তেল নেই। আমরা দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছি। প্রথমে আল আমিন স্টোর নামে একটি প্রতিষ্ঠানে আমরা আমাদের একজনকে তেল আছে কি নাÑখোঁজ নিতে পাঠাই। তারা তখন বলেছে ‘তেল নেই। পরে ওই প্রতিষ্ঠানে আমরা গিয়ে তেল পেয়েছি। তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

কারচুপির প্রমাণ পেয়েছেন জানিয়ে ফয়েজ উল্লাহ বলেন, ‘সাতকানিয়া স্টোর নামে পুষ্টি তেলের এক ডিলারের কাছে গিয়ে আমরা জিজ্ঞেসে করেছি তেল আছে কিনা। তারা আমাদের জানায় যে, তাদের কাছে কাছে তেল নেই। কোম্পানির কাছ থেকে জানতে পেরেছি, এক হাজার ৩০০ কার্টন, যা প্রায় ২৪ হাজার লিটার তেল উনাদের সরবরাহ করেছে। পরে তিনি স্বীকার করেন তাকে ৬০০ কার্টন তেল সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনি ৪০ কার্টন তেল সরবরাহের হিসাব আমাদের দিতে পেরেছেন। বাকিগুলোর হিসাব দিতে পারেননি। তার মানে তিনি এখানে কারচুপি করেছেন। তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তবে সাতকানিয়া স্টোরের মালিক মো. আবছার বলেন, ‘আমি তো তেল বেশি দামে বিক্রি করিনি। উনারা কাগজপত্রে অনিয়ম পেয়েছেন। তাই জরিমানা করেছেন। কোম্পানির কাছে চাওয়া এক হাজার ৩০০ কার্টন তেল থেকে আমি পেয়েছি ৬০০ কার্টন। বাকিগুলো আসবে আরও পরে। যেগুলো পেয়েছি সেগুলো বাজারে সরবরাহ করে দিয়েছি। কিন্তু ডকুমেন্ট পাইনি এখনও। এখানে কোনো অনিয়ম আমি করিনি। স্যাররা তো ডকুমেন্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবেন না।’ বাজারে তেলের সংকট কেনক্সজানতে চাইলে আল আমিন স্টোরের মালিক মো. শাহজালাল বলেন, ‘এগুলো তো কোম্পানি বলতে পারবে। আমার কাছে এলে আমি বিক্রি করি। না এলে বিক্রি বন্ধ রাখি। চার-পাঁচদিন হচ্ছে কোম্পানি মাল দিচ্ছে না। তাই আমার বিক্রিও বন্ধ। ওরা বলছে, ওদের পাইপলাইনে এখন তেল আসছে। সেগুলো প্রসেসিং হবে, সময় লাগবে। ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারির দিকে তারা আমাদের মাল দেবে বলে জানিয়েছে।’

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024