শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

জানা গেল শেখ হাসিনার বিচার কাজ কোথায় হচ্ছে?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৮১ পড়া হয়েছে

তথ্যপ্রমাণও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নানা অজানা তথ্য উঠে এসেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে। প্রতিবেদনে অপরাধের নির্দেশদাতা হিসেবে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তুলে ধরা হয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ কী ভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে তার চিত্র। রিপোর্টের ভিত্তিতে শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে কী বলছেন আইন ও রাজনীতি বিশ্লেষকরা। এর পর আর কীভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে জাতিসংঘ?

শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে যখন বিচারের দাবি উঠছে তখন জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন অকাট্য দলিল হিসেবে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে অনেকটাই সহায়ক হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন আইন ও রাজনীতি বিশ্লেষকরা।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দোষীদের বিচারের আবশ্যকতা ন্যায্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা আরও অনেক বেশি স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছে।এই প্রতিবেদন বিচার কাজের সহায়ক মেটেরিয়াল হিসেবে প্রতিবেদনটির সাক্ষ্য মূল্য রয়েছে বলেও মনে করছেন তিনি।

বাংলাদেশের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামও সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, তাঁরা যে সব তথ্যপ্রমাণ পাচ্ছেন তার সঙ্গে জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের সাদৃশ্য রয়েছে এবং এটিকে অকাট্য দলিল হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ব্যবহার করা যাবে।

তবে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য জড়িতদের বিচারে বাংলাদেশের বিচার কাজের চেয়ে সরকারের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসিতে মামলা করার প্রয়োজন বলে মনে করেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব এসেক্স এর আইনের শিক্ষক আব্বাস ফয়েজ। কারণ হিসেবে তিনি ব্যাখ্যা করেন এমন গুরুতর বিষয় মোকাবিলা করার আগে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি পরামর্শ তাঁর।

জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের মধ্যে দিয়ে বিচারের একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অ্যাডভোকেট এলিনা খান। তবে প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম মনে করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করতে রাষ্ট্র আগ্রহী বা সক্ষম না হলে তখন আইসিসিতে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।

জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের একটি সাহসী ও নিরপেক্ষ কাজ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে সচেতন মহলে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও এই প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024