শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ড. ইউনূসকে ‘গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড’ বললেন শেখ হাসিনা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৩২ পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে বাংলাদেশের ‘গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড’ বলে অভিযোগ করেছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি আমেরিকার নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।শেখ হাসিনার দাবি, ড. ইউনূসের ইন্ধনেই বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে, বেছে বেছে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হচ্ছে। মন্দির, গির্জা ও ধর্মীয় সংগঠন ইসকনের উপর হামলা চলছে।

গুরুতর অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, আজ আমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। কিন্তু সত্যটা হলো ছাত্র নেতাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন ড. ইউনূস। এমনকি তারেক রহমান লন্ডন থেকে জানিয়েছেন- এভাবে গণহত্যা চালিয়ে গেলে আওয়ামী লীগ সরকার বেশিদিন টিকবে না।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, আজ পুলিশ, শিক্ষক, হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের উপর হামলা হচ্ছে বাংলাদেশে। খুন পর্যন্ত করা হচ্ছে তাদের। একাধিক গির্জা ও মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে, ভাঙচুর করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন কেন সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে?

দেশ ছেড়ে চলে আসার সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার বাবার মতোই হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল আমার ক্ষেত্রেও। সশস্ত্র জনতা গণভবনে এসেছিল আমাকে হত্যা করতে। কিন্তু তখনও আমি নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলি চালানোর নির্দেশ দিইনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি গণহত্যা চাইনি। আমি যদি ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে চাইতাম, তাহলে গণহত্যা হতো। যখন নির্বিচারে মানুষ মারা চলছে, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমার চলে যাওয়াই উচিত। আমার নিরাপত্তাকর্মীরা গুলি চালালে, গণভবনে অনেক মানুষ মারা যেতেন। কিন্তু আমি তা চাইনি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024