শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

‘আমার সঙ্গে কেউ তর্ক করতে পারবে না’, মোদিকে ট্রাম্প

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯২ পড়া হয়েছে

ভারতও ওয়াশিংটনের পারস্পরিক শুল্কের আওতার বাইরে থাকবে না বলে স্পষ্ট করে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সম্প্রতি ফক্স নিউজের শন হ্যানিটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বিশ্ব বাণিজ্য এবং আমেরিকার শুল্ক কাঠামো নিয়ে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। এ সময় ইলন মাস্কও উপস্থিতি ছিলেন। খবর এনডিটিভির।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলেছি—তিনি এখানে ছিলেন—আমি বললাম, ‘আমরা পারস্পরিক শুল্ক চালু করব। আপনারা যা নেবেন, আমরাও তাই নেব।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তিনি (মোদি) বললেন, ‘না, না, এটা আমি পছন্দ করি না।’ আমি বললাম, ‘না, না, আপনারা যা নেবেন, আমরাও তাই নেব।’ আমি সব দেশের সঙ্গেই এটা করছি।’

উল্লেখ্য যে, ভারত তার দেশে আমদানিকৃত মার্কিন পণ্যের ওপর বিশ্বের অন্যতম উচ্চ শুল্ক আরোপ করে থাকে। বিশেষ করে অটোমোবাইল খাতে। যেখানে বিদেশি গাড়ির ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়।

সে সময় ট্রাম্পের পাশে বসে থাকা ইলন মাস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘এটা ১০০ শতাংশ—গাড়ি আমদানির ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা কিছুই না। আরও অনেক বেশি আছে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও।’

তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, এ ধরনের উচ্চ শুল্কের কারণে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য ভারতে পণ্য বিক্রি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, যদি না তারা সেখানে উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করে।

ট্রাম্প এমন পরিস্থিতিকে আমেরিকার অর্থনীতির জন্য ‘অন্যায়’ বলে অভিহিত করেন।

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পারস্পরিক শুল্ক ব্যবস্থার অধীনে ভারতীয় পণ্যের ওপর ঠিক ততটাই শুল্ক আরোপ করা হবে, যতটা ভারত মার্কিন পণ্যের ওপর আরোপ করে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার সঙ্গে কেউ তর্ক করতে পারবে না। যদি আমি বলি ২৫ শতাংশ, তারা বলবে, ‘ওহ, এটা ভয়ঙ্কর।’ আমি আর এটা বলি না… কারণ আমি বলি, ‘তারা যা নেবে, আমরাও তাই নেব।’ আর তারপরেই তারা তখন থেমে যায়।’

ট্রাম্প তার প্রথম দফার প্রেসিডেন্সির সময়ও ভারতকে ‘শুল্ক রাজা’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ওই সময়ও মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন সফরের পর, উভয় দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই সঙ্গে ২০২৫ সালের শরত্কালে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (বিটিএ) সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024