এবার ভোক্তা অধিকারের অভিযানে দেখা মিললো ২৩,৫০০ টাকা মূল্যের শার্টের। শার্টের গায়ে এই দাম লাগিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা। এরকম করে অন্যান্য শার্টের গায়ে বিভিন্ন প্রাইস ট্যাগ লাগানো, যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই।
ব্যবসায়ীর দাবি এগুলো ইমপোর্টারের মাধ্যমে আনা হয়েছে দেশের বাইরে থেকে। ভোক্তা কর্মকর্তা ইমপোর্ট করার কাগজপত্র দেখতে চাইলে তা দেখাতে ব্যর্থ ব্যবসায়ী। এভাবে প্রতিটি শার্টের ক্ষেত্রে কারচুপি করে যাচ্ছে দোকানদার।
একটি শার্টের গায়ে ১৮,৫০০ টাকার প্রাইস ট্যাগ লাগানো। ভোক্তা কর্মকর্তা হাতেনাতে বিষয়টি ধরলে দোকানের কর্মকর্তার দাবি ভুল করে এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে এবং এটার মূল্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
এছাড়াও অভিযান চলাকালে দেখা যায় কিছু কিছু শার্টের গায়ে সেগুলোর মূল্যও লেখা নেই। শার্টের গায়ে লিখে রাখা ‘লন্ডন’। তবে এটি যে লন্ডনে উৎপাদনকৃত শার্ট সেটির পক্ষে প্রমাণ দেখাতেও ব্যর্থ দোকানটির কর্মচারী।
উল্লেখ্য, আসন্ন রমজান এবং ঈদ উপলক্ষে ভোক্তা অধিকারের বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য তদারকি অভিযান চলছে।