প্রেম ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর শাহবাগের একটি হোস্টেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আগামীকাল শনিবার মিরপুরের শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
এর আগে শনিবার সকাল ১১টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এবং বাদ জোহর জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে কবির দুটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
কবির বড় ভাই দুলাল হাফিজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘উনার (সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী) সঙ্গে আলাপ করে আমরা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
হেলাল হাফিজকে স্মরণ করে তার ভাই বলেন, ‘সে তো কবিতার মানুষ। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক। প্রেস ক্লাবের পাশেই একটি হোটেল কক্ষে একাকী থাকত। আমরা তাকে বাসায় নিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু সে থাকেনি। অসুস্থ হয়েছিল, তখন হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি। সুস্থ হয়ে আবার হোটেলেই থাকা শুরু করে।’
হেলাল হাফিজের সঙ্গে একই হোস্টেলের অন্য একটি কক্ষের বাসিন্দা রূপম রোদ্দর। গত তিন বছর ধরে তিনিই হেলাল হাফিজের দেখভাল করতেন। তিনি একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘উনি তো বিগত কয়েক বছর ধরেই একাকিত্বে ভুগছিলেন। শারীরিকভাবেও কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। হাঁটাচলা ঠিকমত করতে পারতেন না। আমরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য বলেছি। উনি হাসপাতালে থাকতে চাইতেন না। দুপুরের দিকে তিনি বাথরুমে পড়ে যান। পরে হোস্টেলের লোকজন উনাকে হাসপাতালে নেন; চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’