শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ব্ল্যাকমেইল করে আমাকে দিয়ে সোনাপাচার করানো হয়: জনপ্রিয় অভিনেত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১১১ পড়া হয়েছে

দুবাই থেকে ১২ কোটি টাকার সোনাপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও নিজেকে ব্ল্যাকমেইল করে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন। গত রোববার রাতে বেঙ্গালুরুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় এক পুলিশ কনস্টেবলকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি অভিনেত্রীকে সোনা নিয়ে বিমানবন্দর থেকে নিরাপদে বের হয়ে যেতে সাহায্য করছিলেন।

গত ৪ মার্চ রানিয়া রাওকে গ্রেফতারের পর লাভেল রোডের নন্দওয়ানি ম্যানশনে তার বাসভবনে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তল্লাশিতে ২.৬৭ কোটি রুপি ও ২.০৬ কোটি মূল্যের সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানের পর কর্মকর্তারা তার বাড়ি থেকে তিনটি বড় বাক্স উদ্ধার করেন। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১৭.২৯ কোটি রুপি।

দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর রানিয়া পুলিশ কনস্টেবল বাসবরাজুর সাহায্যে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এদিকে তার কার্যকলাপ সম্পর্কে আগে থেকেই খবর ছিল ডিআরআইয়ের কাছে। ফলে অভিনেত্রীকে সোনাসহ হাতেনাতে ধরে ফেলা সম্ভব হয়। তল্লাশি করার সময় রানিয়ার জ্যাকেটের ভেতরে ১২.৫৬ কোটি রুপি মূল্যের ১৪.২ কেজি বিদেশি সোনা পাওয়া যায়। গ্রেফতারের পরে অভিনেত্রীকে বিশদ তদন্তের জন্য নাগাভারায় ডিআরআই অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে এ ঘটনার কথা জানার পরেই অভিনেত্রীর বাবা কন্নড় আইপিএস অফিসার ড. কে রামচন্দ্র রাও দাবি করে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মেয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো রকমের যোগ নেই। মাস চারেক আগে রানিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে। তার পর থেকে মেয়ের সঙ্গে তাদের আর কোনো যোগাযোগ নেই। রামচন্দ্র আরও বলেন, মেয়ে কিংবা তার স্বামী কী ব্যবসা করেন, সেই সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। যা ঘটেছে, তা আমাদের বড় ধাক্কা দিয়েছে। আমরা খুবই হতাশ। তবে আইন আইনের পথেই চলবে।

পুলিশের দাবি, অভিনেত্রী তার স্বামী যতীনের সঙ্গে প্রায়ই দুবাই যান। তবে তা কোনো ব্যবসায়িক বা পারিবারিক কারণ নয়, এই সোনাপাচারের জন্যই। তদন্তে দেখা গেছে যে, বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়াতে রানিয়া সবসময়েই পুলিশের সাহায্য পেতেন।

উল্লেখ্য, রানিয়া রাও বেশ কয়েকটি কন্নড় ও তামিল ছবিতে অভিনয় করেছেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024