শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

দিল্লিতে নিষিদ্ধ হচ্ছে সিএনজি অটো, ঝুঁকিতে গ্যাস খাত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭২ পড়া হয়েছে

দিল্লি সরকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ করার যে পরিকল্পনা করছে, তা শহরের গ্যাস ব্যবসায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকেই মনে করছেন, দিল্লির এই সিদ্ধান্ত অন্য রাজ্যগুলোকেও একই পথে যেতে উৎসাহিত করতে পারে। এতে পুরো দেশের গ্যাস নেটওয়ার্কে করা বড় বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে।

নতুন ইলেকট্রিক যানবাহন নীতির খসড়ায় বলা হয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট থেকে দিল্লিতে নতুন কোনো সিএনজি অটোরিকশা রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না।

একই সঙ্গে, যেসব সিএনজি অটোর বয়স ১০ বছর হয়ে গেছে, সেগুলোর রেজিস্ট্রেশন আর নবায়ন করা হবে না—যদি না সেগুলো ব্যাটারিচালিত অটোতে রূপান্তর করা হয়।
শহরে এখন প্রায় ৯০ হাজার অটো চলছে। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বয়স ১০ বছর বা তার কাছাকাছি। ফলে এগুলোর রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হলে গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।

একটি পরিবহন কম্পানির কর্মকর্তা বলেন, ‘নতুন ব্যাটারিচালিত অটো কিনতে অনেক টাকা লাগে। পুরনো অটো রূপান্তরের জন্য এখনো ভালো কোনো ব্যবস্থা নেই। চার্জিংয়ের জায়গাও অনেক কম।’
শহর গ্যাস ব্যবসার একটি বড় অংশ আসে সিএনজি বিক্রি থেকে, যা মূলত অটোরিকশাগুলোর মাধ্যমে হয়।

বাকি অংশ যায় পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি, হোটেল বা কারখানায়।
আরো এক গ্যাস কম্পানির কর্মকর্তা বলেন, ‘সরকার আগে বলেছিল প্রাকৃতিক গ্যাস হবে এক ধরনের ‘পরিবর্তনকালীন জ্বালানি’। তাই কম্পানিগুলো শহর গ্যাস লাইসেন্স নিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে।’ সরকার এখন পর্যন্ত ৩৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৭৩৩টি জেলায় শহর গ্যাস নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। মোট ৩০৭টি এলাকার জন্য এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞা আরো একটি বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। সরকার এখন ১৯৫টি কমপ্রেসড বায়োগ্যাস প্লান্ট বানাচ্ছে, যেখানে ২.৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। বেসরকারি কম্পানিগুলো এগিয়ে না আসায় এই কাজ রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কম্পানিগুলোকেই করতে হচ্ছে।

একজন গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রাকৃতিক গ্যাসকে ডিজেল বা পেট্রোলের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক না। কারণ ইলেকট্রিক গাড়ির চার্জিংয়ের জন্য যে বিদ্যুৎ লাগে, তার ৭০ শতাংশই আসে কয়লা থেকে। তাই হঠাৎ করে পরিবর্তন না এনে ধীরে ধীরে এগোতে হবে। সরকার চাইলে নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে এই পরিবর্তন দ্রুততর করতে পারে।’

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024