শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

পাকিস্তানে হামলার ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় সেনাবাহিনী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
  • ৯২ পড়া হয়েছে

কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ফের তীব্র উত্তেজনায় পৌঁছেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে পাকিস্তানের অন্তত ছয়টি স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে ভারত। দেশটির সেনাবাহিনী একটি সংবাদ সম্মেলনে এ হামলার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিতে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত নয়টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। অভিযানে জইশ-ই-মোহাম্মদ, লস্কর-ই-তইয়্যেবা এবং হিজবুল মুজাহিদিনের ঘাঁটিগুলো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারত। হামলায় প্রায় ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়।

ভারতের প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ১টা ০৪ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চালানো হয় এই অভিযান। প্রথম ধাপে হামলা হয় কোটলির মারকাজ আব্বাস ক্যাম্পে। যা লস্কর-ই-তইয়্যেবার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি ঘাঁটি টার্গেট করে বোমাবর্ষণ চালানো হয়।

ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানায়, এই অভিযান ছিল প্রয়োজনীয়, পরিকল্পিত এবং আত্মরক্ষামূলক।

পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি, কর্নেল সোফিয়া কুরেশি এবং উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিংহ সাংবাদিকদের বলেন, “পেহেলগাম হামলার পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না আসায় আমাদের এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।”

তারা আরও বলেন, “এই অভিযান ছিল সীমিত পরিসরে, দায়িত্বশীল ও অনুপাতিক। লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস এবং ভবিষ্যতে এমন হামলা প্রতিরোধ।”

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024