শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বাংলাদেশে আসছেন তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রধান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৫২ পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে ঢাকায় আসছেন তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার প্রধান হালুক গোরগুন। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে দ্যা ইকোনোমিক টাইমস জানিয়েছে, সোমবার (৮ জুলাই) তিনি ঢাকা পৌঁছাবেন।

সফরকালে হালুক গোরগুন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও, তিনি পৃথক বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তুরস্কের প্রভাব বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আঙ্কারা ঢাকায় তাদের কৌশলগত উপস্থিতি জোরদারের চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ নিজস্ব প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির পাশাপাশি রপ্তানির লক্ষ্যে দুটি প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স গড়ে তুলতে চাইছে, যেখানে তুরস্ককে প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ সহযোগী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে দুটি প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে, যেখানে তুরস্কের একাধিক প্রতিরক্ষা কোম্পানিকে পার্টনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে সম্প্রতি বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান তুরস্ক সফরে পাঁচদিনের একটি কর্মসূচি সম্পন্ন করেছেন।

এপ্রিলে তুরস্কে অনুষ্ঠিত অ্যান্টালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য অ্যারোস্পেস অংশীদার প্রয়োজন। আর তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা হলে সেটি হবে দুই দেশের জন্যই লাভজনক।’

সেই সফরকালে তৌহিদ হোসেন তুর্কি অ্যারোস্পেসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহমেত দেমিরোলুর সঙ্গেও বৈঠক করেন। উভয়ের মধ্যে উড়োজাহাজ প্রযুক্তি এবং সামরিক সরঞ্জাম সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সরাসরি উপস্থিতি এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগ শুধু দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কই মজবুত করবে না, বরং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও রপ্তানির নতুন দিগন্তও উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024