শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টির আড়ালেই রয়ে গেছে নারীরা: বাঁধন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪৩ পড়া হয়েছে

সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টির আড়ালেই রয়ে গেছে নারীরা

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন ছিলেন প্রথম সারির তারকাদের একজন। ফ্যাসিবাদি আওয়ামী সরকারের পতনের দাবিতে প্রকাশ্যেই রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরেও বিভিন্ন জাতীয় ঘটনায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। যদিও তিনি একাধিকবার হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন যে, জুলাই আন্দোলনের পর তিনি দেশের কাছে আরও ভালো কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু কিছু ঘটনা তাকে নিরাশ করেছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অনলাইন হয়রানি এবং তাকে ‘খারাপ মেয়ে’হিসেবে আখ্যায়িত করার পেছনে সমাজের এক ধরনের অবহেলা ও দ্বিচারিতা কাজ করছে। তিনি মনে করেন, নারীদের প্রতি সমাজ-রাষ্ট্রের এক ধরণের অবহেলা আছে।

একটু ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘অনলাইনে মেয়েদের নানাভাবে হ্যারেজ করা হচ্ছে। আমিও যার শিকার। তারা মনে করছে, আমি এটা ডিজার্ভ করি। কারণ, আমি একটা খারাপ মেয়ে….!’

কেন খারাপ মেয়ে? এমন প্রশ্নের উত্তরে বাঁধন বলেন, ‘আমার ঠোঁটকাটা। সময়ের প্রয়োজনে দেশের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম। বাজে ব্যাপার হচ্ছে, তারা আমাকে কোনো দলে ফেলতে পারছে না। যে কারণে সবকিছুতেই সমস্যা দেখছে।’

বাঁধন আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের গণঅভুত্থ্যানে যখন গিয়েছি, তখন একটা আশার আলো দেখেছি। যারা টিভিতে সংবাদ দেখেছে, তারা আসলে বুঝতে পারবে না বাস্তবের অভিজ্ঞতাটা কেমন ছিল। ভেবেছিলাম, এবার একটা পরিবর্তন আসবে। তবে আমরা এতটাই দুর্নীতিগ্রস্থ একটা জাতি, যিনি পালিয়ে গেছেন, তার রেখে যাওয়া সেই করাপ্টেড সিস্টেম থেকে বের হতে পারিনি।’

সম্প্রতি জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করে এক স্ট্যাটাসে বাঁধন বলেন, যারা বলে জুলাই বিপ্লব ভুল ছিল — সত্যি বলতে, তাদের জন্য আমার দুঃখ হয়। ওই সময় ওই বিপ্লব একদম প্রয়োজনীয় ছিল। মানুষ যে পরিমাণ অবিচার, অন্যায় এবং দমন-পীড়নের মুখোমুখি হচ্ছিল, তা সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সরকার তো একদিনে ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়নি— ধাপে ধাপে মানুষের অধিকার আর কণ্ঠস্বর কেড়ে নিতে নিতে তারা ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছিল। তখন আর কোনো রাস্তা খোলা ছিল না।

৫ আগস্টের কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, যারা সেদিন, ৫ আগস্ট রাস্তায় ছিল না, তারা কোনো দিন বুঝতে পারবে না সেই আনন্দ কতটা বিশুদ্ধ ছিল— যখন সে ভীতুর মতো দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। সেই আনন্দ ছিল একদম বাস্তব, এবং আমি তা নিজের প্রতিটি হৃদস্পন্দনে অনুভব করেছিলাম। ওইরকম স্বাধীনতা আর শক্তি রাস্তায় দাঁড়িয়ে একসঙ্গে অনুভব করার অভিজ্ঞতা জীবনে একবারই আসে।

সবশেষ বাঁধন লিখেছেন, হ্যাঁ, বিপ্লবের পরে অনেক কিছু ঘটেছে, এবং সবকিছু সুখকর হয়নি। কিন্তু এক জিনিস স্পষ্ট: জুলাই বিপ্লব সঠিক সময়ে, সঠিক কাজ ছিল।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024